ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে পল্লী বিদ্যুতে চাকুরী দেয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নীলফামারীতে পল্লী বিদ্যুৎ এ চাকুরী দেয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের বড়বাড়ী এলাকার সুকারু মামুদের ছেলে মিনারুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী।

অভিযোগে বর্ণিত, “মাগুড়া মাষ্টারপাড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকার কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম মিনারুলের সাথে পূর্ব পরিচিতি থাকার সুবাদে রফিকুল ইসলামের বড় শালিকার ছেলে লেলিনকে পল্লী বিদ্যুৎ এ চাকুরী দেয়ার কথা বলে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন মামলার আরজিতে অভিযুক্ত মিনারুল ইসলাম।

সরেজমিনে গেলে, ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আমি কাঁচামালের ব্যবসা করি। মাগুড়া মাষ্টারপাড়া বাসষ্ট্যান্ডে আমার কাঁচামালের দোকান আছে। মিনারুলের সাথে পূর্ব পরিচিতি থাকার সুবাদে আমার বড় শালিকার ছেলে লেলিনকে পল্লী বিদ্যুৎ এ চাকুরী দেয়ার কথা বলে আমার কাছে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। দুই মাসের মধ্যেই চাকুরী দেয়ার আশ্বাস দিলেও গত ৪ বছরেও চাকুরী দিতে পারেনি। আমি মিনারুলের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি আজ কাল করে সময় ক্ষেপন করে “

তিনি আরও বলেন, ”আমি গরিব মানুষ, মিনারুল ইসলাম একটা সরকারী স্কুলে চাকুরী করে। আমি স্থানীয় ভাবে অনেকবার শালিস বৈঠক করেও মিনারুল ইসলামের কাছ থেকে আমার পাওনা টাকা আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছি তাই বাধ্য হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি”।

এ বিষয়ে মিনারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

জানতে চাইলে, কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল গফুর সাংবাদিকদের বলেন, “এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, সেটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে সত্য উৎঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নীলফামারীতে পল্লী বিদ্যুতে চাকুরী দেয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৫৯:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীতে পল্লী বিদ্যুৎ এ চাকুরী দেয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের বড়বাড়ী এলাকার সুকারু মামুদের ছেলে মিনারুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী।

অভিযোগে বর্ণিত, “মাগুড়া মাষ্টারপাড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকার কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম মিনারুলের সাথে পূর্ব পরিচিতি থাকার সুবাদে রফিকুল ইসলামের বড় শালিকার ছেলে লেলিনকে পল্লী বিদ্যুৎ এ চাকুরী দেয়ার কথা বলে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন মামলার আরজিতে অভিযুক্ত মিনারুল ইসলাম।

সরেজমিনে গেলে, ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আমি কাঁচামালের ব্যবসা করি। মাগুড়া মাষ্টারপাড়া বাসষ্ট্যান্ডে আমার কাঁচামালের দোকান আছে। মিনারুলের সাথে পূর্ব পরিচিতি থাকার সুবাদে আমার বড় শালিকার ছেলে লেলিনকে পল্লী বিদ্যুৎ এ চাকুরী দেয়ার কথা বলে আমার কাছে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। দুই মাসের মধ্যেই চাকুরী দেয়ার আশ্বাস দিলেও গত ৪ বছরেও চাকুরী দিতে পারেনি। আমি মিনারুলের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি আজ কাল করে সময় ক্ষেপন করে “

তিনি আরও বলেন, ”আমি গরিব মানুষ, মিনারুল ইসলাম একটা সরকারী স্কুলে চাকুরী করে। আমি স্থানীয় ভাবে অনেকবার শালিস বৈঠক করেও মিনারুল ইসলামের কাছ থেকে আমার পাওনা টাকা আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছি তাই বাধ্য হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি”।

এ বিষয়ে মিনারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

জানতে চাইলে, কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল গফুর সাংবাদিকদের বলেন, “এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, সেটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে সত্য উৎঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”