ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাফ নদীর পাড়ে জেলেদের কর্মব্যস্ততা: মুখরিত টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ

​ভোরের আলো ফোটার আগেই রূপালী স্বপ্নের খোঁজে জাল আর নৌকা নিয়ে নাফ নদীতে নেমে পড়েন তারা। বলছিলাম কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের অন্যতম দ্বীপ ‘শাহপরীর দ্বীপ’-এর (স্থানীয়ভাবে শাহাবু দ্বীপ নামে পরিচিত) জেলেদের কথা। সকাল হতেই নাফ নদীর পাড়ে এখন চোখে পড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ।
​সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘ নীরবতা বা নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদী সংলগ্ন ঘাটগুলোতে জেলেদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। কেউ নদী থেকে সদ্য ধরে আনা তাজা মাছ ট্রলার থেকে খালাস করছেন, কেউ রুপালী ইলিশ, কোরাল, বাটা ও পোয়া মাছের স্তূপ সাজিয়ে ডাক তুলছেন, আবার কেউ ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন আগামীকালের প্রস্তুতির জন্য ছেঁড়া জাল মেরামত করতে।
​নদীর পাড়েই কথা হয় স্থানীয় প্রবীণ জেলে মোহাম্মদ আলীর সাথে। তিনি বলেন, “নদীতে মাছ ধরা আমাদের শুধু পেশা নয়, এটা আমাদের জীবন। ভোরে যখন জাল টেনে নৌকায় মাছ তুলি, তখন সব ক্লান্তি ভুলে যাই। এখন মাছ ভালো পাওয়ায় আমাদের সংসারগুলোতেও হাসি ফিরছে।”
​ঘাটের চিত্র:
শুধু জেলাই নন, পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় ক্রেতাদের আনাগোনায় সকালের শাহপরীর দ্বীপের ঘাটগুলো এখন দারুণ জমজমাট। এখান থেকে তাজা মাছ প্যাকেটজাত হয়ে চলে যাচ্ছে টেকনাফ সদর, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
​প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর জেলেদের এই কর্মযজ্ঞ মিলে নাফ নদীর পাড় যেন এক জীবন্ত ক্যানভাস। স্থানীয়দের মতে, জেলেদের এই কর্মব্যস্ততা শুধু তাদের জীবিকাই সচল রাখছে না, বরং টেকনাফের স্থানীয় অর্থনীতিতেও বড় অবদান রাখছে।
​নিউজটি আপনার পছন্দ হয়েছে কি? কোনো বিশেষ তথ্য বা লাইভ উদ্ধৃতি যোগ করতে চাইলে আমাকে জানাতে পারেন!

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নাফ নদীর পাড়ে জেলেদের কর্মব্যস্ততা: মুখরিত টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ

আপডেট সময় : ০১:২১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

​ভোরের আলো ফোটার আগেই রূপালী স্বপ্নের খোঁজে জাল আর নৌকা নিয়ে নাফ নদীতে নেমে পড়েন তারা। বলছিলাম কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের অন্যতম দ্বীপ ‘শাহপরীর দ্বীপ’-এর (স্থানীয়ভাবে শাহাবু দ্বীপ নামে পরিচিত) জেলেদের কথা। সকাল হতেই নাফ নদীর পাড়ে এখন চোখে পড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ।
​সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘ নীরবতা বা নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে শাহপরীর দ্বীপের নাফ নদী সংলগ্ন ঘাটগুলোতে জেলেদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। কেউ নদী থেকে সদ্য ধরে আনা তাজা মাছ ট্রলার থেকে খালাস করছেন, কেউ রুপালী ইলিশ, কোরাল, বাটা ও পোয়া মাছের স্তূপ সাজিয়ে ডাক তুলছেন, আবার কেউ ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন আগামীকালের প্রস্তুতির জন্য ছেঁড়া জাল মেরামত করতে।
​নদীর পাড়েই কথা হয় স্থানীয় প্রবীণ জেলে মোহাম্মদ আলীর সাথে। তিনি বলেন, “নদীতে মাছ ধরা আমাদের শুধু পেশা নয়, এটা আমাদের জীবন। ভোরে যখন জাল টেনে নৌকায় মাছ তুলি, তখন সব ক্লান্তি ভুলে যাই। এখন মাছ ভালো পাওয়ায় আমাদের সংসারগুলোতেও হাসি ফিরছে।”
​ঘাটের চিত্র:
শুধু জেলাই নন, পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় ক্রেতাদের আনাগোনায় সকালের শাহপরীর দ্বীপের ঘাটগুলো এখন দারুণ জমজমাট। এখান থেকে তাজা মাছ প্যাকেটজাত হয়ে চলে যাচ্ছে টেকনাফ সদর, কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
​প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর জেলেদের এই কর্মযজ্ঞ মিলে নাফ নদীর পাড় যেন এক জীবন্ত ক্যানভাস। স্থানীয়দের মতে, জেলেদের এই কর্মব্যস্ততা শুধু তাদের জীবিকাই সচল রাখছে না, বরং টেকনাফের স্থানীয় অর্থনীতিতেও বড় অবদান রাখছে।
​নিউজটি আপনার পছন্দ হয়েছে কি? কোনো বিশেষ তথ্য বা লাইভ উদ্ধৃতি যোগ করতে চাইলে আমাকে জানাতে পারেন!