ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাচোলে অবৈধভাবে ৬৪ বস্তা ডিএপি সার মজুদ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নেজামপুর বাজারে অবৈধভাবে ডিএপি সার মজুদ ও অধিক মূল্যে বিক্রয়ের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) নেজামপুর বাজারস্থ মেসার্স ইউসুফ ট্রেডার্সে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রিয়াঙ্কা দাসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে দোকানের স্বত্বাধিকারী মো. ইউসুফ আলীর দোকানে অবৈধভাবে মজুদ করা ৬৪ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। একই সঙ্গে অধিক মূল্যে সার বিক্রয়ের অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে অভিযানের পর স্থানীয় এলাকাবাসী জরিমানার পরিমাণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, জরিমানার পরিমাণ আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। পাশাপাশি জব্দ করা সারগুলো সাধারণ কৃষকদের মধ্যে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে কৃষকরা উপকৃত হতেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, সার সংকট ও বেশি দামের কারণে এখনো অনেক কৃষক তাদের জমিতে প্রয়োজনীয় সার দিতে পারেননি। তাই অবৈধভাবে মজুদ করা সার দ্রুত কৃষকদের মধ্যে ন্যায্য মূল্যে সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নাচোলে অবৈধভাবে ৬৪ বস্তা ডিএপি সার মজুদ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আপডেট সময় : ১০:১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার নেজামপুর বাজারে অবৈধভাবে ডিএপি সার মজুদ ও অধিক মূল্যে বিক্রয়ের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) নেজামপুর বাজারস্থ মেসার্স ইউসুফ ট্রেডার্সে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রিয়াঙ্কা দাসের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে দোকানের স্বত্বাধিকারী মো. ইউসুফ আলীর দোকানে অবৈধভাবে মজুদ করা ৬৪ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। একই সঙ্গে অধিক মূল্যে সার বিক্রয়ের অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে অভিযানের পর স্থানীয় এলাকাবাসী জরিমানার পরিমাণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, জরিমানার পরিমাণ আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। পাশাপাশি জব্দ করা সারগুলো সাধারণ কৃষকদের মধ্যে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে কৃষকরা উপকৃত হতেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, সার সংকট ও বেশি দামের কারণে এখনো অনেক কৃষক তাদের জমিতে প্রয়োজনীয় সার দিতে পারেননি। তাই অবৈধভাবে মজুদ করা সার দ্রুত কৃষকদের মধ্যে ন্যায্য মূল্যে সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন তারা।