ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরপুরের ভাদ্রা গ্রামে একটি বাড়ি থেকে শামীম (২৮) এর লাশ উদ্ধার । 

 

 

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় শামীম আনছারী (২৪) নামে এক যুবককে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অনিক (২৮) নামে একজনকে আটক করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার ভাদ্রা গ্রামের অনিকের বাড়ি থেকে শামীমের লাশ উদ্ধার করা হয়।
হত্যার শিকার শামীম আনছারী একই গ্রামের বেল্লাল মল্লিককের ছেলে এবং আটককৃত অনিক আব্দুল জব্বারের ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ২১ আগস্ট সকালে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন শামীম। পরে তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গত ২৩ আগস্ট রবিবার থানায় নিখোঁজ জিডি করেন শামীমের পরিবার। পরে সন্দেহজনকভাবে পুলিশ অনিককে আটক করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে অনিকের বাড়ি থেকেই মাটিচাপা অবস্থায় বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে লাশ ময়নাতদন্তের তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আযম খান বলেন, শামীম মেধাবী শিক্ষার্থী । সদ্য পড়াশোনা শেষ করেছিল। অনিকসহ যারা তাকে হত্যা করেছে তারা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারী, এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান তিনি।
এ ব্যাপারে নাগরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে শামীমকে হত্যা করা হয়। আটককৃত অনিক শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে, আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

নাগরপুরের ভাদ্রা গ্রামে একটি বাড়ি থেকে শামীম (২৮) এর লাশ উদ্ধার । 

আপডেট সময় : ০১:২০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

 

 

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় শামীম আনছারী (২৪) নামে এক যুবককে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অনিক (২৮) নামে একজনকে আটক করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার ভাদ্রা গ্রামের অনিকের বাড়ি থেকে শামীমের লাশ উদ্ধার করা হয়।
হত্যার শিকার শামীম আনছারী একই গ্রামের বেল্লাল মল্লিককের ছেলে এবং আটককৃত অনিক আব্দুল জব্বারের ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ২১ আগস্ট সকালে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন শামীম। পরে তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গত ২৩ আগস্ট রবিবার থানায় নিখোঁজ জিডি করেন শামীমের পরিবার। পরে সন্দেহজনকভাবে পুলিশ অনিককে আটক করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে অনিকের বাড়ি থেকেই মাটিচাপা অবস্থায় বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে লাশ ময়নাতদন্তের তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আযম খান বলেন, শামীম মেধাবী শিক্ষার্থী । সদ্য পড়াশোনা শেষ করেছিল। অনিকসহ যারা তাকে হত্যা করেছে তারা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারী, এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান তিনি।
এ ব্যাপারে নাগরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে শামীমকে হত্যা করা হয়। আটককৃত অনিক শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে, আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন।