“ছোট ছোট বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল”— কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের এই অমর বাণীকে ধারণ করে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে ধৈর্য ও নিষ্ঠার স্বাক্ষর রেখেছেন নুরুল আজিজ রানা। দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং সততার ফলশ্রুতিতে তিনি কর অঞ্চল কক্সবাজার-৪ এ চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। আজ থেকে তাঁর জীবনে শুরু হলো এক নতুন ও গৌরবময় অধ্যায়।
নুরুল আজিজ রানার এই কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্যে পরিবার, পরিজন এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন আর ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। তাঁর এই অনন্য অর্জন প্রমাণ করে যে, ধৈর্য মানুষকে কেবল শেখায় না, বরং জীবনের কঠিনতম পরিস্থিতি পেরিয়ে কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয় তার শক্তি জোগায়। কথায় আছে, ‘অপেক্ষার ফল মিষ্টি হয়’— আর রানার এই সাফল্য যেন সেই প্রবাদেরই এক বাস্তব প্রতিফলন।
শুভাকাঙ্ক্ষীরা অত্যন্ত আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আজকে আমরা রানার জন্য গর্বিত। মহান আল্লাহ তায়ালা যে তাঁর বান্দাকে কোনোদিন নিরাশ করেন না, রানার এই অর্জন তারই এক সুন্দর দৃষ্টান্ত। ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে যে কোনো লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব, তা সে আবারও প্রমাণ করলো।”
নুরুল আজিজ রানার নতুন কর্মজীবন এবং ভবিষ্যতের দিনগুলোর জন্য রইল অফুরন্ত শুভকামনা ও দোয়া। তিনি যেন সততা ও দক্ষতার সাথে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন এবং তাঁর এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে আরও অনেক দূর এগিয়ে যান— আজকে এই শুভক্ষণে সকলের এটাই প্রত্যাশা।
টেকনাফে প্রতিনিধি মিসবাহ উল্লাহ প্রতিবেদনে বিস্তারিত দেখুন 



















