যাতে কেউ ষড়যন্ত্র করে অন্য কোনো ফল করতে না পারে।তারেক রহমান কোদালের পক্ষে ভোট চেয়ে বলেন, ‘কোদাল জেতা মানেই বিএনপি জেতা। কারণ এখানে কোদাল জিতলে বিএনপি তথা ধানের শীষ সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে।’
তারেক রহমান আরো বলেন, আমাদের আজকে একটি শপথ বাক্য পাঠ করতে হবে যে এই নির্বাচনী সভায় আমাদের আজকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে আমাদের আগামী দিনের রাজনীতি হতে হবে দেশ গঠনের রাজনীতি, আমাদের আগামী দিনের রাজনীতি হতে হবে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি।
ঢাকা-১২ আসনে পথসভা শেষে তেজগাঁও এলাকায় অবস্থিত বিএনপির মুখপত্র দৈনিক দিনকালের অফিস পরিদর্শন করেন তারেক রহমান। এ পত্রিকার তিনি প্রকাশক ও সম্পাদক।
এ সময় তারেক রহমান সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
সবশেষ রাত ১১টায় বাড্ডার সাঁতারকুলে পথসভায় ঢাকা-১১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের পক্ষে ভোট চান বিএনপি চেয়ারম্যান।
রবিবার একদিনে মোট ৭টি নির্বাচনী আসনের পথসভায় বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান।
নিজের নির্বাচনী আসন ঢাকা-১৭ এ ইবিসি চত্বরে বিকেল সাড়ে ৩টায় পথসভায় নিজের জন্য ভোট চেয়ে প্রচার শুরু করেন তিনি। এরপর পর্যায়ক্রমে ঢাকা-১৬ এ আমিনুল হক, ঢাকা-১৫ আসনে শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ঢাকা-১৪ আসনে সানজীদা ইসলাম তুলি, ঢাকা-১৩ আসনে ববি হাজ্জাজের পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি এসব এলাকার পথসভায় বক্তব্য রাখেন।
জনসভার এক স্থান থেকে আরেকটিতে যাওয়ার সময় রাস্তার দুই ধারে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের গাড়িবহরকে করতালি দিয়ে স্বাগত জানায়। মানুষের ভিড় পেরিয়ে সাতটি আসনের নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করতে তারেক রহমানের সাড়ে ৭ ঘণ্টা সময় লাগে। প্রতিটি পথসভায় বিপুল মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে।