- মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা হেফাজতে ইসলামের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের জেলা সভাপতি মুফতী মুবারকুল্লাহ এর সভাপতিত্বে বৈঠকে জেলার নেতৃবৃন্দসহ প্রতিটি উপজেলার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দৌলতবাড়ীর পীর নাইমুর রহমানকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জামিয়া ইউনুছিয়াতে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে বক্তারা বলেন, গত রবিউল আউয়াল মাসে বিজয়নগর উপজেলায় আলেম-উলামাদের উপর পরিকল্পিত হামলা এবং হেফাজতে ইসলামের সংগ্রামী মহাসচিব আল্লামা শায়খ সাজিদুর রহমান দাঃবাঃ কে অশালীন ভাষায় গালাগালির ঘটনাটি গভীরভাবে নিন্দনীয়।
উল্লেখ্য, ওই ঘটনায় বিজয়নগরের উলামায়ে কেরাম বাদী হয়ে পীর নাইমুর রহমানকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে প্রশাসন ও জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় শর্ত দেওয়া হয়— পীর নাইমুর রহমান জামিয়া ইউনুছিয়াতে এসে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলে তাঁকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও তিনি এখনো জামিয়াতে এসে ক্ষমা চাননি এবং বিষয়টি নিয়ে তালবাহানা করছেন। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তৌহিদী জনতার মধ্যে তীব্র থেকে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।
পরে উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, পীর নাইমুর রহমানকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ফায়সালা অনুযায়ী জামিয়াতে ক্ষমা চাইতেই হবে, অন্যথায় ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা হেফাজতে ইসলাম কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
এসময় বৈঠকের শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়, পরবর্তীতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তার দায়ভার প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বহন করতে হবে।
দেলোয়ার হোসাইন মাহদী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি 



















