ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের ওপর নগ্ন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জামায়াতের

৪ আগস্ট মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলীয়া মাদরাসা এবং গত ৩ আগস্ট রাতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কর্তৃক ছাত্রসংসদের নির্বাচিত ভিপিসহ কার্যনির্বাহী সদস্য, ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে ছাত্রদল সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলাম আহতদের উদ্ধার করতে গেলে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা বর্বর হামলা চালায়। এতে ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জকসুর জিএস ও ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মো. আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ ২০/২৫ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া গতকাল ৩ আগস্ট রাতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত জুলাইয়ের একটি প্রদর্শনীতে হামলা চালায় ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। একইভাবে ঢাকা আলীয়া মাদরাসায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায় এবং হলের কক্ষ থেকে কয়েকটি ল্যাপটপ ও মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। ঢাকা কলেজেও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। আমি ছাত্রদলের এসব সশস্ত্র হামলা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও দেশবাসী প্রত্যাশা করেছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হবে, সন্তানরা নিরাপদে থাকবে, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি বন্ধ হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের রাজনৈতিক ও মৌলিক অধিকার ফিরে পাবে। ক্যাম্পাসগুলোয় সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের ঝনঝনানি আর শোনা যাবে না, কোনো শিক্ষার্থীকে আর নিপীড়নের শিকার হতে হবে না। কিন্তু বিএনপি সরকার গঠনের পর তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার পরিবর্তে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সন্ত্রাসী পথ অনুসরণ করে আধিপত্য বিস্তারের হীন কৌশল অবলম্বন করেছে। যার ফলশ্রুতিতে আজ পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে শিক্ষার্থীদের ওপর, যা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের ওপর নগ্ন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জামায়াতের

আপডেট সময় : ১২:১৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

৪ আগস্ট মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলীয়া মাদরাসা এবং গত ৩ আগস্ট রাতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কর্তৃক ছাত্রসংসদের নির্বাচিত ভিপিসহ কার্যনির্বাহী সদস্য, ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে ছাত্রদল সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলাম আহতদের উদ্ধার করতে গেলে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা বর্বর হামলা চালায়। এতে ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জকসুর জিএস ও ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মো. আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ ২০/২৫ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া গতকাল ৩ আগস্ট রাতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত জুলাইয়ের একটি প্রদর্শনীতে হামলা চালায় ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। একইভাবে ঢাকা আলীয়া মাদরাসায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায় এবং হলের কক্ষ থেকে কয়েকটি ল্যাপটপ ও মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। ঢাকা কলেজেও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। আমি ছাত্রদলের এসব সশস্ত্র হামলা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও দেশবাসী প্রত্যাশা করেছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হবে, সন্তানরা নিরাপদে থাকবে, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি বন্ধ হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের রাজনৈতিক ও মৌলিক অধিকার ফিরে পাবে। ক্যাম্পাসগুলোয় সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের ঝনঝনানি আর শোনা যাবে না, কোনো শিক্ষার্থীকে আর নিপীড়নের শিকার হতে হবে না। কিন্তু বিএনপি সরকার গঠনের পর তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার পরিবর্তে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সন্ত্রাসী পথ অনুসরণ করে আধিপত্য বিস্তারের হীন কৌশল অবলম্বন করেছে। যার ফলশ্রুতিতে আজ পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে শিক্ষার্থীদের ওপর, যা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করে।