ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেবিদ্বারে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, মরে গেল চাষের মাছ

 

কুমিল্লার দেবিদ্বারে লিজ নেওয়া পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুরের বিপুলসংখ্যক মাছ মারা গেছে বলে দাবি করেছেন পুকুরের লিজগ্রহীতা নসু মিয়া (৬১)। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ফতেহাবাদ উত্তর-পূর্ব গ্রামের একটি পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।
নসু মিয়া, পিতা কালা মিয়া, জানান, তিনি পুকুরটি লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন। বুধবার সকালে পুকুরে গিয়ে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখেন। তার অভিযোগ, পুকুরে বিষ প্রয়োগের কারণেই মাছগুলো মারা গেছে।
তিনি বলেন, প্রায় ২০-২৫ দিন আগে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে প্রতিবেশী রেনু আক্তার (৬৫)-এর সঙ্গে তার বিরোধ হয়। ওই বিরোধের জেরে রেনু আক্তার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে থাকতে পারেন বলে তিনি সন্দেহ করছেন। তবে তার এই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী ও মোহাম্মদ হোসেন বলেন, “নসু মিয়া একজন ভালো ও নিরীহ মানুষ। তার সঙ্গে এমন ঘটনা দুঃখজনক।”
নসু মিয়ার স্ত্রী সামসুন্নাহার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “যারা এই কাজ করেছে, আমরা তাদের বিচার চাই।” তিনি মাছের ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রায় ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
তবে পুকুরে কীভাবে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে, কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত—এসব বিষয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

দেবিদ্বারে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, মরে গেল চাষের মাছ

আপডেট সময় : ০২:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

 

কুমিল্লার দেবিদ্বারে লিজ নেওয়া পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুরের বিপুলসংখ্যক মাছ মারা গেছে বলে দাবি করেছেন পুকুরের লিজগ্রহীতা নসু মিয়া (৬১)। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ফতেহাবাদ উত্তর-পূর্ব গ্রামের একটি পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।
নসু মিয়া, পিতা কালা মিয়া, জানান, তিনি পুকুরটি লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন। বুধবার সকালে পুকুরে গিয়ে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখেন। তার অভিযোগ, পুকুরে বিষ প্রয়োগের কারণেই মাছগুলো মারা গেছে।
তিনি বলেন, প্রায় ২০-২৫ দিন আগে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে প্রতিবেশী রেনু আক্তার (৬৫)-এর সঙ্গে তার বিরোধ হয়। ওই বিরোধের জেরে রেনু আক্তার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে থাকতে পারেন বলে তিনি সন্দেহ করছেন। তবে তার এই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী ও মোহাম্মদ হোসেন বলেন, “নসু মিয়া একজন ভালো ও নিরীহ মানুষ। তার সঙ্গে এমন ঘটনা দুঃখজনক।”
নসু মিয়ার স্ত্রী সামসুন্নাহার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “যারা এই কাজ করেছে, আমরা তাদের বিচার চাই।” তিনি মাছের ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রায় ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
তবে পুকুরে কীভাবে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে, কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত—এসব বিষয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।