গাজীপুর মহানগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাস্টারবাড়ি এলাকায় স্বামীর দেওয়া বসতবাড়ীতে দুই সন্তানকে নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে চান নাজমা আক্তার। একই সঙ্গে তার অভিযোগ, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে বসতভিটা দখলের উদ্দেশ্যে দেবর ও স্বজনদের একটি পক্ষ ধারাবাহিকভাবে তাকে হুমকি, মানসিক নির্যাতন এমনকি হামলার শিকারও হয়েছেন। এই দাবি জানিয়ে আজ সোমবার ২৭ জুলাই গাজীপুর মহানগরীর পোড়াবাড়ি বাজারে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী নাজমা আক্তার।
সংবাদ সম্মেলনে নাজমা আক্তার বলেন, স্বামী জীবিত থাকাকালে তাকে ওই বাড়িতে বসবাসের ব্যবস্থা করে দেন। কিন্তু স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই দেবর বাদল হোসেন, রিফাত, পারভিন বেগমসহ সাতজন শরিক তার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছেন। এ জন্য বিভিন্ন সময় তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ শারীরিক নির্যাতন ও হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নাজমার মেয়ে নাদিয়া আফরিন বলেন, গত ১২ ও ১৩ জুলাই তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় তার মাকে মারধর ও হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি হামলাকারীরা একটি স্বর্ণের চেইন ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায় বলেও দাবি করেন। তখন হামলায় গুরুতর আহত নাজমা আক্তারকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গাজীপুর সদর থানায় বাদল হোসেন, রিফাত, পারভিন বেগমসহ সাতজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলা হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে নাজমা আক্তার প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তিনি যেন দুই সন্তানকে নিয়ে স্বামীর দেওয়া বাড়িতে নিরাপদে বসবাস করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। একই সঙ্গে মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্টাফ রিপোর্টার 



















