ঠাকুর গাও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ৩ নং হোসেন গাও ইউনিয়ন যেন দুর্নীতির পাহাড় হয়ে গেছে। বিগত আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকার পতনের পর থেকে হোসেন গাও ইউনিয়ন পরিষদের অবস্থা যেন হয়ে উঠেছে নাজেহাল অবস্থা। হোসেন গাও ইউনিয়ন পরিষদর অধপতন শুরু হয় নির্বাচিত চেয়ারম্যান না থাকায় নেই কোন বিচার আচার নেই কোন পরিষদের মাসিক সভা। নেই কোন ২০২৫- ২০২৬ অর্থ বছরের হিসেবে নিকাশ। হোসেন গাও ইউনিয়ন মুলত ছিল বিএনপির ঘাটি এখানে একটানা ১৯ বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন মরহুম জনাব মো মাহবুব আলম তিনি মা’রা যাবার পর আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পান মতিউর রহমান মতি তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন পরিষদ মোটামুটি ভালোই চলছিল। ৪ আগষ্টের পর থেকে কথা আবার ও এলোমেলো হয়ে যায় ইউনিয়ন পরিষদ। বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত করা হয় চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি কে। পরক্ষণে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয় হেদায়েতুল্লাহ মেম্বার কে। তাঁকে দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে সাধারণ জনগণন মুখ ফিরিয়ে নেয় পরিষদ থেকে ও আস্থা হারিয়ে ফেলে সাধারণ জনগণ। মতি চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেলেও পায়নি তার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। আওয়ামী ও জাতীয় পার্টির কিছু ইউপি সদস্যর যোগ সাজেশে বিভিন্ন ভাবে অর্থ লুটিয়ে নেওয়ার জন্যই তাকে তাকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছে না। বিভিন্ন ভাবে দেখা যায় ইউনিয়ন পরিষদের ভিজি এপ চাল ৩০ কেজি মাসে যেটা দেওয়া হয়। সেখানে ৩৪ জনের নাম ডাবল করা হয়েছে এভাবেই চলছে বিভিন্ন নিয়ম অনিয়মের কার্জকলাপ।
মো মতিউর রহমান
রানীশংকৈল উপজেলা প্রতিনিধী




















