ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুমকির ইউএনওকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ

 

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খাইরুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে অবহেলা অভিযোগ তুলে তাঁর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্হানীয় ছাএ- জনতা।

মঙ্গলবার (১১আগস্ট ২০২৬) সকালে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে মানববন্ধন শেষে মিছিল বের করে নতুন বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ইউএনও নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না এবং সাধারণ সেবা গৃহীতারা বিভিন্ন কাজে উপজেলা প্রশাসনে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া না পাওয়ায় অভিযোগ করেন তারা। এছাড়া মাদক বিরোধী কার্যক্রম সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়ায় অভিযোগে তোলেন তারা।

বক্তারা আরো অভিযোগ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ অনিয়ম এবং ৫ আগস্ট জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাদের দাওয়াত না দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ রয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা ইউএনওকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দুমকি থেকে অপসারণের দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও আবদুল্লাহ খাইরুল ইসলাম চৌধুরীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বক্তব্য দিতে অনীহা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড, মোহাম্মদ শহীদ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

দুমকির ইউএনওকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

 

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খাইরুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে অবহেলা অভিযোগ তুলে তাঁর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্হানীয় ছাএ- জনতা।

মঙ্গলবার (১১আগস্ট ২০২৬) সকালে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে মানববন্ধন শেষে মিছিল বের করে নতুন বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ইউএনও নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না এবং সাধারণ সেবা গৃহীতারা বিভিন্ন কাজে উপজেলা প্রশাসনে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া না পাওয়ায় অভিযোগ করেন তারা। এছাড়া মাদক বিরোধী কার্যক্রম সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়ায় অভিযোগে তোলেন তারা।

বক্তারা আরো অভিযোগ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ অনিয়ম এবং ৫ আগস্ট জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাদের দাওয়াত না দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ রয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা ইউএনওকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দুমকি থেকে অপসারণের দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও আবদুল্লাহ খাইরুল ইসলাম চৌধুরীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বক্তব্য দিতে অনীহা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড, মোহাম্মদ শহীদ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে