সুদূর প্রবাসে তপ্ত মরুভূমিতে ঘাম ঝরানো হারুন মামা আজ নিঃস্ব, অসহায়। নিজের জীবনের সোনালী সময়টুকু পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য প্রবাসে কাটিয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্য তার সহায় হলো না। প্রবাসেই ধরা পড়লো মরণব্যাধি—তাঁর দুটি কিডনিই সম্পূর্ণ অকেজো (Failed)।
সব স্বপ্ন, সব আশা এক নিমেষে ধূলিসাৎ হয়ে গেল। জীবন বাঁচাতে সব ছেড়ে খালি হাতে দেশে ফিরে আসতে হলো তাঁকে।
একটি সাজানো সংসারের করুণ আর্তনাদ:
হারুন ভাই কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি একটি পরিবারের একমাত্র ছায়াও ছিলেন। তাঁর সংসারে রয়েছে চার সন্তান। জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে তিনটি মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। এখনও তাঁর ছোট ছেলেটি বড় হয়নি, সংসারের হাল ধরার মতো অবস্থায় আসেনি। যে মানুষটি একসময় পুরো পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন, আজ তিনি নিজেই বিছানায় শুয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।
বর্তমান পরিস্থিতি ও জরুরি প্রয়োজন:
জীবনপ্রদীপ জ্বালিয়ে রাখতে হারুন মামাকে সপ্তাহে ৩ বার ব্যয়বহুল ডায়ালাইসিস (Dialysis) করতে হয়। ডায়ালাইসিস এবং ওষুধের এই আকাশচুম্বী খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটি আজ নিঃস্ব ও সর্বস্বান্ত। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি এখন আয়ের বদলে ব্যয়ের বোঝায় পিষ্ট।
আমাদের একটু সহানুভূতি, হারুন মামার বাঁচার আশা:
হারুন মামার ছোট ছেলেটির দিকে তাকিয়ে, তাঁর পরিবারটির দিকে তাকিয়ে কি আমরা একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারি না? আপনার সামান্য অনুদান, একটু জমানো টাকা হয়তো হারুন মামার ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করবে, তাঁর ছোট ছেলের মাথার ওপর থেকে বাবার ছায়া সরে যাওয়া রোধ করবে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াই। সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ভাই-বোন এবং সকল সুহৃদ মানুষের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন—হারুন ভাইয়ের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা করে একটি জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করুন। আপনার এই সামান্য সাহায্য মহান আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মূল্যবান হতে পারে।
দুইটি কিডনি বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে প্রবাসী হারুন আজ অসহায় চিকিৎসা করার টাকা নেই,
-
লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইয়াছিন - আপডেট সময় : ০৪:২৭:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
- 106
জনপ্রিয় সংবাদ




















