দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা এবং সংগঠনের দুর্দিনে মাঠে থাকার দাবিতে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি তুলেছেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাদের ভাষ্য, আগামী জেলা যুবদলের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হলে হুমায়ুন কবিরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা উচিত।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের কৃতি সন্তান হুমায়ুন কবির জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কুড়িগ্রাম পৌর যুবদলের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্য হিসেবে সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ নেন। ২০১৬ সাল থেকে অদ্যাবধি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, যুবদলের রাজনীতি করতে গিয়ে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে হুমায়ুন কবির একাধিক হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হন। তাদের অভিযোগ, সে সময় তার বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েক দফা শারীরিকভাবে আহত করা হয়। পাশাপাশি রাজনৈতিক কারণে তিনি ব্যবসায়িকভাবেও বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হন। তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যান।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলনে হুমায়ুন কবির সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত থাকার স্বীকৃতি হিসেবে সম্প্রতি মো. হুমায়ুন কবির ‘সার্ক পার্সোনালিটি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন বলে জানানো হয়েছে। কলকাতাভিত্তিক এ সম্মাননা ঢাকার থ্রি স্টার হোটেল অর্নেটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ অর্জনে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
হুমায়ুন কবির কুড়িগ্রাম পৌর শহরের বাসিন্দা। তিনি মো. আব্দুল বাতেন ও মোছা. কহিনুর বেওয়ার সন্তান।
এদিকে, যুবদলের নতুন জেলা কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াকে সামনে রেখে তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি অংশ পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা হিসেবে হুমায়ুন কবিরের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, “দল আমাকে যে দায়িত্বই দেবে, আমি সততা, নিষ্ঠা ও সম্মানের সঙ্গে তা পালন করব। দল ও দেশের স্বার্থে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও কাজ করে যেতে চাই।”
ত্যাগ-সংগ্রামের রাজনীতিতে পরীক্ষিত নেতা হুমায়ুন কবিরের মূল্যায়নের দাবি কুড়িগ্রামে
-
মোঃ জাফর আহমেদ কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা - আপডেট সময় : ০৯:৪৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
- 87
জনপ্রিয় সংবাদ




















