ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তীব্র বৃষ্টি ও অতি বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধিতে হাজার ও কৃষকের স্বপ্ন পানির নিচেই।

তীব্র বৃষ্টি ও অতি বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধিতে হাজার ও কৃষকের স্বপ্ন পানির নিচেই।

তীব্র বৃষ্টি ও অতি বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে আমন ধান, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সাধারণ কৃষকেরা।
গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের নিচু এলাকার মাঠগুলো এখন পানির নিচে থৈ থৈ করছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক জমিতে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি।
এলাকার ভুক্তভোগী কয়েকজন কৃষক নাজমুল শেখ, বদরুল শেখ, আত্তাব মোল্যা, ইব্রাহিম শেখ , খাইয়ের শেখ, সাহেব শেখ,আসরাফ আলী সহ অনেকে  বলেন, “জমিতে আমন ধানের চারা লাগিয়ে ছিলাম। এখন সব ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এভাবে ৪/৫ দিন পানির নীচে থাকলে সব পচে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে । এখন কী করব বুঝতে পারছি না। আমরা অনেক টাকা খরচ করে ধান লাগিয়ে ছিলাম।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে অনেক জমি পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই কৃষি জমি। আমরা সরোজমিনে নেমেছি জরিপ করে ১/২ দিনের মধ্যে  সঠিক তথ্য দিতে পারবো।
লোহাগড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা জানান, পানি দ্রুত নেমে গেলে ক্ষতি কম হবে বলে ধারনা করছি। আমাদের টিম সরোজমিনে তদারকি করবে।  যেসব জমিতে পানি বেশি, সেখানে বিকল্প ফসলের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছ। কিভাবে পানি নিষ্কাশন করা যায় সেবিষয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি । কৃষকদের পাশে থেকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব।
অতিবৃষ্টির কারণে  ফসল হারানোর শঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার কৃষকেরা। দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও সরকারি সহায়তা কামনা করেছেন কৃষকেরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

তীব্র বৃষ্টি ও অতি বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধিতে হাজার ও কৃষকের স্বপ্ন পানির নিচেই।

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

তীব্র বৃষ্টি ও অতি বর্ষণে নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে আমন ধান, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সাধারণ কৃষকেরা।
গত কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের নিচু এলাকার মাঠগুলো এখন পানির নিচে থৈ থৈ করছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক জমিতে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি।
এলাকার ভুক্তভোগী কয়েকজন কৃষক নাজমুল শেখ, বদরুল শেখ, আত্তাব মোল্যা, ইব্রাহিম শেখ , খাইয়ের শেখ, সাহেব শেখ,আসরাফ আলী সহ অনেকে  বলেন, “জমিতে আমন ধানের চারা লাগিয়ে ছিলাম। এখন সব ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এভাবে ৪/৫ দিন পানির নীচে থাকলে সব পচে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে । এখন কী করব বুঝতে পারছি না। আমরা অনেক টাকা খরচ করে ধান লাগিয়ে ছিলাম।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে অনেক জমি পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই কৃষি জমি। আমরা সরোজমিনে নেমেছি জরিপ করে ১/২ দিনের মধ্যে  সঠিক তথ্য দিতে পারবো।
লোহাগড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা জানান, পানি দ্রুত নেমে গেলে ক্ষতি কম হবে বলে ধারনা করছি। আমাদের টিম সরোজমিনে তদারকি করবে।  যেসব জমিতে পানি বেশি, সেখানে বিকল্প ফসলের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছ। কিভাবে পানি নিষ্কাশন করা যায় সেবিষয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি । কৃষকদের পাশে থেকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব।
অতিবৃষ্টির কারণে  ফসল হারানোর শঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার কৃষকেরা। দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও সরকারি সহায়তা কামনা করেছেন কৃষকেরা।