ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফ সীমান্তে চৌকিদার আলী আহমদের দৌরাত্ম্য: এনআইডি জালিয়াতি ও ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ সীমান্তবাসী, চরম হয়রানির শিকার এক সম্ভ্রান্ত পরিবার

 

 

​কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী টেকনাফ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদে চরম প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থনৈতিক চাঁদাবাজি এবং অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে ২ নম্বর ওয়ার্ডের দফাদার (গ্রাম পুলিশ) আলী আহমদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার, এনআইডি জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে সখ্য এবং সীমান্ত এলাকার প্রকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের ‘রোহিঙ্গা’ তকমা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তার অনৈতিক ঘুষ বাণিজ্য ও ধারাবাহিক মানসিক নির্যাতনে এখন চরম দিশেহারা সীমান্তবর্তী খেটে খাওয়া মানুষ।
​অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সম্ভ্রান্ত পরিবারকে ‘রোহিঙ্গা’ বানানোর চক্রান্ত
​অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবরাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের স্থায়ী অধিবাসী মরহুম ছৈয়দুর রহমান ও ফুলমতি দম্পতির সন্তান—ইমন হোছন, জামাল হোছন, আব্দুল্লাহ, এনায়েত উল্লাহ, হেদায়েত উল্লাহ, রহমত উল্লাহ, মিনারা ও এহসান বেগম দীর্ঘদিন ধরে এই দফাদারের অপতৎপরতার শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের মতে, ওই পরিবারের এক নারী সদস্যকে কুপ্রস্তাব দেয় দফাদার আলী আহমদ। পরিবারটির সচেতন সদস্যরা উক্ত অনৈতিক প্রস্তাব কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে তীব্র প্রতিবাদ জানান। এতে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে এই গ্রাম পুলিশ। সে উক্ত পরিবারকে সমাজচ্যুত করা, বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করা এবং ভুয়া তথ্য সরবরাহ করে ‘রোহিঙ্গা’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করে।
​১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি ও এনআইডি আটকে দেওয়ার অপচেষ্টা
​পরবর্তী সময়ে পারিবারিক প্রয়োজনে উক্ত ভাই-বোনেরা তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় দফাদারের প্রত্যয়ন ও সহযোগিতার জন্য গেলে আলী আহমদ সরাসরি ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দফাদার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, চাহিদাকৃত এই বিপুল পরিমাণ অর্থ না দিলে সে এনআইডি কার্ড কোনোভাবেই প্রস্তুত করতে দেবে না এবং পুলিশি হয়রানির মাধ্যমে টেকনাফ ছাড়া করার ভয় দেখায়। আইনের রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া এবং একটি প্রতিষ্ঠিত পরিবারকে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে জিম্মি করার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।
​প্রকৃত ও বংশানুক্রমিক অধিবাসী, রয়েছে বিএস খতিয়ান ও ঐতিহাসিক অবদান
​আলী আহমদের এই জালিয়াতি ও কুৎসা রটনার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সচেতন মহল। স্থানীয় প্রবীণ অধিবাসীরা জানান, ভুক্তভোগী পরিবারটি এই অঞ্চলের অত্যন্ত পরিচিত ও ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত পরিবার। তাদের দাদার নামে যুগ যুগ ধরে রেকর্ডভুক্ত বিপুল পরিমাণ বিএস খতিয়ান ও স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এমনকি সাবরাং ইউনিয়নের ঐতিহাসিক পুরাতন পরিষদ ভবনটি যে জমির ওপর নির্মিত হয়েছিল, সেই ভূখণ্ডটিও এই পরিবারের পূর্বপুরুষেরা জনস্বার্থে দান করেছিলেন। যাদের রক্তের সঙ্গে এই সাবরাংয়ের ইতিহাস ও মাটি জড়িয়ে রয়েছে, তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে চৌকিদার বা দফাদারের এমন জঘন্য অপপ্রচার ও জালিয়াতি মূলত তার সীমাহীন লোভ এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতারই স্পষ্ট প্রমাণ।
​ইউপি সদস্যের ক্ষোভ ও সত্যতা নিশ্চিতকরণ
​ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সাবরাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বরত ইউপি সদস্য (মেম্বার) সিদ্দিক আহমেদ বলেন, “এই পরিবারটি কোনো অবস্থাতেই বহিরাগত নয়; তারা শতভাগ আমার ওয়ার্ডের বংশানুক্রমিক ও স্থায়ী বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের দাদা ও নানার পরিবারের এই অঞ্চলে বহু বছরের পুরনো জমিজমা ও বিএস খতিয়ান রয়েছে। এমনকি ইউনিয়নের পুরাতন পরিষদের জমিও তাদের পূর্বপুরুষদের দান করা। এমন একটি প্রতিষ্ঠিত পরিবারকে ‘রোহিঙ্গা’ বানিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো বা ঘুষ দাবি করা চরম বেআইনি, মারাত্মক অপরাধ এবং মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন। দফাদার আলী আহমদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।”
​যুগাধিককালের জুলুম ও ‘রোহিঙ্গা কাণ্ড’ ব্ল্যাকমেইল
​অনুসন্ধানে দফাদার আলী আহমদের বিরুদ্ধে বিগত এক যুগেরও বেশি সময়ের বিবিধ অনিয়মের চিত্র ভেসে উঠেছে। সাবরাং ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ ও খেটে খাওয়া মানুষই মূলত তার প্রধান শিকার। অভিযোগ রয়েছে, সীমান্ত এলাকার কৌশলগত সুযোগ নিয়ে সে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে ‘রোহিঙ্গা’ কার্ড খেলে ব্ল্যাকমেইল করে আসছে। মোটা অঙ্কের ঘুষ না পেলেই নির্দোষ অধিবাসীদের আইনি ঝামেলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা করা, সীমান্তে অবৈধ কাজের তকমা লাগানো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করা তার নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তার ক্রমাগত চক্রান্ত ও অনৈতিক দাবির মুখে পড়ে সাবরাংয়ের বহু দরিদ্র পরিবার আজ সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব।
​উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত ও শাস্তির জোর দাবি
​দফাদার আলী আহমদের এমন বেপরোয়া অপকর্ম ও জুলুমে অতিষ্ঠ টেকনাফের সীমান্তবাসী এখন কার্যকর আইনি প্রতিকার চান। ভুক্তভোগী পরিবারটির সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, তাদের এনআইডি সংক্রান্ত দাপ্তরিক জটিলতা নিরসন এবং দুর্নীতিগ্রস্ত দফাদার আলী আহমদকে অবিলম্বে পদচ্যুত করে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনার জন্য টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা প্রশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সর্বস্তরের জনগণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

টেকনাফ সীমান্তে চৌকিদার আলী আহমদের দৌরাত্ম্য: এনআইডি জালিয়াতি ও ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ সীমান্তবাসী, চরম হয়রানির শিকার এক সম্ভ্রান্ত পরিবার

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

 

 

​কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী টেকনাফ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদে চরম প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থনৈতিক চাঁদাবাজি এবং অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে ২ নম্বর ওয়ার্ডের দফাদার (গ্রাম পুলিশ) আলী আহমদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার, এনআইডি জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে সখ্য এবং সীমান্ত এলাকার প্রকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের ‘রোহিঙ্গা’ তকমা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তার অনৈতিক ঘুষ বাণিজ্য ও ধারাবাহিক মানসিক নির্যাতনে এখন চরম দিশেহারা সীমান্তবর্তী খেটে খাওয়া মানুষ।
​অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সম্ভ্রান্ত পরিবারকে ‘রোহিঙ্গা’ বানানোর চক্রান্ত
​অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবরাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের স্থায়ী অধিবাসী মরহুম ছৈয়দুর রহমান ও ফুলমতি দম্পতির সন্তান—ইমন হোছন, জামাল হোছন, আব্দুল্লাহ, এনায়েত উল্লাহ, হেদায়েত উল্লাহ, রহমত উল্লাহ, মিনারা ও এহসান বেগম দীর্ঘদিন ধরে এই দফাদারের অপতৎপরতার শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের মতে, ওই পরিবারের এক নারী সদস্যকে কুপ্রস্তাব দেয় দফাদার আলী আহমদ। পরিবারটির সচেতন সদস্যরা উক্ত অনৈতিক প্রস্তাব কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে তীব্র প্রতিবাদ জানান। এতে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে এই গ্রাম পুলিশ। সে উক্ত পরিবারকে সমাজচ্যুত করা, বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করা এবং ভুয়া তথ্য সরবরাহ করে ‘রোহিঙ্গা’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করে।
​১ লাখ টাকা ঘুষ দাবি ও এনআইডি আটকে দেওয়ার অপচেষ্টা
​পরবর্তী সময়ে পারিবারিক প্রয়োজনে উক্ত ভাই-বোনেরা তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় দফাদারের প্রত্যয়ন ও সহযোগিতার জন্য গেলে আলী আহমদ সরাসরি ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দফাদার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, চাহিদাকৃত এই বিপুল পরিমাণ অর্থ না দিলে সে এনআইডি কার্ড কোনোভাবেই প্রস্তুত করতে দেবে না এবং পুলিশি হয়রানির মাধ্যমে টেকনাফ ছাড়া করার ভয় দেখায়। আইনের রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া এবং একটি প্রতিষ্ঠিত পরিবারকে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে জিম্মি করার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।
​প্রকৃত ও বংশানুক্রমিক অধিবাসী, রয়েছে বিএস খতিয়ান ও ঐতিহাসিক অবদান
​আলী আহমদের এই জালিয়াতি ও কুৎসা রটনার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সচেতন মহল। স্থানীয় প্রবীণ অধিবাসীরা জানান, ভুক্তভোগী পরিবারটি এই অঞ্চলের অত্যন্ত পরিচিত ও ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত পরিবার। তাদের দাদার নামে যুগ যুগ ধরে রেকর্ডভুক্ত বিপুল পরিমাণ বিএস খতিয়ান ও স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এমনকি সাবরাং ইউনিয়নের ঐতিহাসিক পুরাতন পরিষদ ভবনটি যে জমির ওপর নির্মিত হয়েছিল, সেই ভূখণ্ডটিও এই পরিবারের পূর্বপুরুষেরা জনস্বার্থে দান করেছিলেন। যাদের রক্তের সঙ্গে এই সাবরাংয়ের ইতিহাস ও মাটি জড়িয়ে রয়েছে, তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে চৌকিদার বা দফাদারের এমন জঘন্য অপপ্রচার ও জালিয়াতি মূলত তার সীমাহীন লোভ এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতারই স্পষ্ট প্রমাণ।
​ইউপি সদস্যের ক্ষোভ ও সত্যতা নিশ্চিতকরণ
​ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সাবরাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বরত ইউপি সদস্য (মেম্বার) সিদ্দিক আহমেদ বলেন, “এই পরিবারটি কোনো অবস্থাতেই বহিরাগত নয়; তারা শতভাগ আমার ওয়ার্ডের বংশানুক্রমিক ও স্থায়ী বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের দাদা ও নানার পরিবারের এই অঞ্চলে বহু বছরের পুরনো জমিজমা ও বিএস খতিয়ান রয়েছে। এমনকি ইউনিয়নের পুরাতন পরিষদের জমিও তাদের পূর্বপুরুষদের দান করা। এমন একটি প্রতিষ্ঠিত পরিবারকে ‘রোহিঙ্গা’ বানিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো বা ঘুষ দাবি করা চরম বেআইনি, মারাত্মক অপরাধ এবং মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন। দফাদার আলী আহমদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।”
​যুগাধিককালের জুলুম ও ‘রোহিঙ্গা কাণ্ড’ ব্ল্যাকমেইল
​অনুসন্ধানে দফাদার আলী আহমদের বিরুদ্ধে বিগত এক যুগেরও বেশি সময়ের বিবিধ অনিয়মের চিত্র ভেসে উঠেছে। সাবরাং ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ ও খেটে খাওয়া মানুষই মূলত তার প্রধান শিকার। অভিযোগ রয়েছে, সীমান্ত এলাকার কৌশলগত সুযোগ নিয়ে সে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে ‘রোহিঙ্গা’ কার্ড খেলে ব্ল্যাকমেইল করে আসছে। মোটা অঙ্কের ঘুষ না পেলেই নির্দোষ অধিবাসীদের আইনি ঝামেলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা করা, সীমান্তে অবৈধ কাজের তকমা লাগানো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করা তার নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তার ক্রমাগত চক্রান্ত ও অনৈতিক দাবির মুখে পড়ে সাবরাংয়ের বহু দরিদ্র পরিবার আজ সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব।
​উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত ও শাস্তির জোর দাবি
​দফাদার আলী আহমদের এমন বেপরোয়া অপকর্ম ও জুলুমে অতিষ্ঠ টেকনাফের সীমান্তবাসী এখন কার্যকর আইনি প্রতিকার চান। ভুক্তভোগী পরিবারটির সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, তাদের এনআইডি সংক্রান্ত দাপ্তরিক জটিলতা নিরসন এবং দুর্নীতিগ্রস্ত দফাদার আলী আহমদকে অবিলম্বে পদচ্যুত করে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনার জন্য টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা প্রশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সর্বস্তরের জনগণ।