ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: অস্ত্র-গুলিসহ দুর্ধর্ষ ডাকাত ও অপহরণকারী আটক, গ্রেপ্তার ১৭

 

​কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে এক সাঁড়াশি যৌথ অভিযান চালিয়ে
অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবাসহ এক দুর্ধর্ষ ডাকাত ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, মাদক কারবারি এবং অনলাইন জুয়াড়িসহ আরও ১৬ জন—সর্বমোট ১৭ জনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
​বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ২:৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫:০০ টা পর্যন্ত এ সমন্বিত অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে জেলা পুলিশ, এপিবিএন, কোস্টগার্ড, বিজিবি, আনসার, র‍্যাব, সিআইসি অফিস এবং টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের প্রায় ২৩০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।
​যেভাবে ধরা পড়লো দুর্ধর্ষ অপহরণকারী
​আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, ক্যাম্প এলাকার অবৈধ অস্ত্রধারী, মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী, অপহরণকারী ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। নয়াপাড়া ক্যাম্পের ‘এইচ-ব্লক’ এলাকার মাঠসংলগ্ন স্থান দিয়ে পালানোর সময় যৌথ বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে ডাকাত সাদ্দাম গ্রুপের সক্রিয় সদস্য জিয়াউর রহমান।
​পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়:
​দেশীয় ওয়ান শুটার গান: ১টি
​জীবন্ত কার্তুজ: ১৬ রাউন্ড
​ইয়াবা ট্যাবলেট: ২২ পিস
​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে অপহরণ, অপহরণের পর হত্যা এবং মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে অন্তত পাঁচটি নিয়মিত মামলা রয়েছে।
​অনলাইন জুয়াড়িদের সশ্রম কারাদণ্ড ও আইনি ব্যবস্থা
​অভিযানে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ছাড়াও ১ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং ১ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ১৪ জনকে আটক করা হয়।
​আটক অনলাইন জুয়াড়িদের পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তোলা হলে বিজ্ঞ বিচারক:
​৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
​৯ জনকে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জনকল্যাণমূলক সশ্রম কাজে নিয়োজিত করার নির্দেশ দেন।
​আটককৃত বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

​টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: অস্ত্র-গুলিসহ দুর্ধর্ষ ডাকাত ও অপহরণকারী আটক, গ্রেপ্তার ১৭

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

 

​কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে এক সাঁড়াশি যৌথ অভিযান চালিয়ে
অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবাসহ এক দুর্ধর্ষ ডাকাত ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, মাদক কারবারি এবং অনলাইন জুয়াড়িসহ আরও ১৬ জন—সর্বমোট ১৭ জনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
​বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ২:৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫:০০ টা পর্যন্ত এ সমন্বিত অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে জেলা পুলিশ, এপিবিএন, কোস্টগার্ড, বিজিবি, আনসার, র‍্যাব, সিআইসি অফিস এবং টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের প্রায় ২৩০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।
​যেভাবে ধরা পড়লো দুর্ধর্ষ অপহরণকারী
​আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, ক্যাম্প এলাকার অবৈধ অস্ত্রধারী, মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী, অপহরণকারী ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। নয়াপাড়া ক্যাম্পের ‘এইচ-ব্লক’ এলাকার মাঠসংলগ্ন স্থান দিয়ে পালানোর সময় যৌথ বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে ডাকাত সাদ্দাম গ্রুপের সক্রিয় সদস্য জিয়াউর রহমান।
​পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়:
​দেশীয় ওয়ান শুটার গান: ১টি
​জীবন্ত কার্তুজ: ১৬ রাউন্ড
​ইয়াবা ট্যাবলেট: ২২ পিস
​প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে অপহরণ, অপহরণের পর হত্যা এবং মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে অন্তত পাঁচটি নিয়মিত মামলা রয়েছে।
​অনলাইন জুয়াড়িদের সশ্রম কারাদণ্ড ও আইনি ব্যবস্থা
​অভিযানে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ছাড়াও ১ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং ১ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ১৪ জনকে আটক করা হয়।
​আটক অনলাইন জুয়াড়িদের পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তোলা হলে বিজ্ঞ বিচারক:
​৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
​৯ জনকে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জনকল্যাণমূলক সশ্রম কাজে নিয়োজিত করার নির্দেশ দেন।
​আটককৃত বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।