ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা বৃষ্টি বর্ষণে বিপর্যস্ত বাঁশখালী উপকূলীয় এলাকাসহ অধিকাংশ অঞ্চল প্লাবিত, বিদ্যুৎহীনতায় চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টি বর্ষণে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার উপকূলীয় এলাকাসহ অধিকাংশ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জলাবদ্ধতায় সড়ক, বসতভিটা ও নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গিয়ে জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অব্যাহত বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি জমে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নিত্যদিনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডেও এর প্রভাব পড়েছে। কৃষিজমি ও মৎস্য খাতেও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে।

খানখানাবাদ, বাহারছড়া, কাথারিয়া, গন্ডামারা, সরল, শেখেরখীল ও ছনুয়াসহ বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল আজও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই নিম্নাঞ্চলে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে, আর ঘূর্ণিঝড়ের সময় পরিস্থিতি হয়ে ওঠে ভয়াবহ। বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, বাজার ও কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গিয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকা ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ, মোবাইল চার্জ, ইন্টারনেট যোগাযোগ, ব্যবসা পরিচালনা এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ দৈনন্দিন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি সহায়তা, জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

টানা বৃষ্টি বর্ষণে বিপর্যস্ত বাঁশখালী উপকূলীয় এলাকাসহ অধিকাংশ অঞ্চল প্লাবিত, বিদ্যুৎহীনতায় চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ০৬:২১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টি বর্ষণে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার উপকূলীয় এলাকাসহ অধিকাংশ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জলাবদ্ধতায় সড়ক, বসতভিটা ও নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গিয়ে জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অব্যাহত বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি জমে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং নিত্যদিনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডেও এর প্রভাব পড়েছে। কৃষিজমি ও মৎস্য খাতেও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে।

খানখানাবাদ, বাহারছড়া, কাথারিয়া, গন্ডামারা, সরল, শেখেরখীল ও ছনুয়াসহ বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল আজও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই নিম্নাঞ্চলে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে, আর ঘূর্ণিঝড়ের সময় পরিস্থিতি হয়ে ওঠে ভয়াবহ। বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, বাজার ও কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গিয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকা ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ, মোবাইল চার্জ, ইন্টারনেট যোগাযোগ, ব্যবসা পরিচালনা এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ দৈনন্দিন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি সহায়তা, জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।