ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬০০ বিঘা জমির পাকা ধান জলমগ্ন, ব্যপক ক্ষয় -ক্ষতির আশঙ্কা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,জালাল উদ্দিন রুমি

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার হাওর অঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় ৬শ বিঘা জমির পাকা ধান জলমগ্ন হয়ে পড়েছে । আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে বৃষ্টি না কমলে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, হাওর ও নন-হাওর মিলিয়ে ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে হাওর অঞ্চলে প্রায় ৭৩ শতাংশ ধান ঘরে তোলা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।

কৃষকরা জানান, অনেক জায়গায় ধান কেটে গাদা করে রাখা হলেও টানা বৃষ্টির কারণে তা শুকাতে পারছেন না। ফলে কাটা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে। তবে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন।

এছাড়া দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে জেলায় ৭৯০টি কম্বাইন হারভেস্টার কাজ করছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে যাতে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করা হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমির ফসল কাটার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০০ থেকে ২৩০০ টাকা।

কম্বাইন হারভেস্টারের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিটি যন্ত্রের জন্য জ্বালানি কার্ড সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ইমরান হোসেন বলেন, কৃষকদের ক্ষতি কমাতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে এবং দ্রুত ধান কাটার প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

টানা বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬০০ বিঘা জমির পাকা ধান জলমগ্ন, ব্যপক ক্ষয় -ক্ষতির আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,জালাল উদ্দিন রুমি

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার হাওর অঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় ৬শ বিঘা জমির পাকা ধান জলমগ্ন হয়ে পড়েছে । আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে বৃষ্টি না কমলে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, হাওর ও নন-হাওর মিলিয়ে ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে হাওর অঞ্চলে প্রায় ৭৩ শতাংশ ধান ঘরে তোলা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।

কৃষকরা জানান, অনেক জায়গায় ধান কেটে গাদা করে রাখা হলেও টানা বৃষ্টির কারণে তা শুকাতে পারছেন না। ফলে কাটা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে জেলায় বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে। তবে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন।

এছাড়া দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে জেলায় ৭৯০টি কম্বাইন হারভেস্টার কাজ করছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে যাতে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় না করা হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমির ফসল কাটার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০০ থেকে ২৩০০ টাকা।

কম্বাইন হারভেস্টারের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিটি যন্ত্রের জন্য জ্বালানি কার্ড সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ইমরান হোসেন বলেন, কৃষকদের ক্ষতি কমাতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে এবং দ্রুত ধান কাটার প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।