দীর্ঘ দুই বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম, কিছু শুভানুধ্যায়ীর নীরব সহযোগিতা এবং একদল স্বেচ্ছাসেবীর নিঃস্বার্থ দেশপ্রেম, দায়বদ্ধতা ও নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই আজ ধীরে ধীরে জ্ঞানের এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকায় পরিণত হচ্ছে।
আজ পাঠাগারে পাঠকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের বই পড়ার আগ্রহ এবং জ্ঞানচর্চার প্রতি তাদের আন্তরিক ভালোবাসা দেখে আমাদের সব পরিশ্রম সার্থক বলে মনে হয়। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন, প্রেরণা ও অনুপ্রেরণা।
খুব শিগগিরই পাঠাগারের *বার্ষিক ক্যালেন্ডার* প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষামূলক, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম আরও বেশি বইমুখী, সৃজনশীল, মানবিক ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে গড়ে উঠতে পারে।
আমাদের এই সুন্দর উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে এখনও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আন্তরিক উপস্থিতি, মূল্যবান পরামর্শ এবং সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। *দিশারী*-এর মতো অনেকেই আড়ালে থেকে সূর্যের আলোর মতো আমাদের পথ আলোকিত করে চলেছেন। তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অফুরন্ত শুভকামনা।
এবার সেই আলোর পরিধি আরও বিস্তৃত করার দায়িত্ব আমাদের সবার। আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে এগিয়ে আসি। আগামী প্রজন্মের জন্য জ্ঞান, মানবিকতা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ একটি আদর্শ সমাজ গড়ে তুলি।
সুজন রবি দাস ধনবাড়ী টাঙ্গাইল 



















