ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন

 

টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে—এমন আলোচনা সম্প্রতি জোরালো হয়ে উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
তবে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি করা নিয়ে আপত্তি নেই—এমন মতও রয়েছে। কারণ, রাজনৈতিক পরিচয় কারও অযোগ্যতার প্রমাণ নয়; একইভাবে রাজনৈতিক পরিচয় কারও যোগ্যতার সনদও হতে পারে না।
সংশ্লিষ্টদের মূল প্রশ্ন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কাউকে সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার যোগ্যতা ও সক্ষমতা কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে?
একজন গভর্নিং বডির সভাপতির ওপর প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বার্থ, অভিভাবকদের প্রত্যাশা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকে। ফলে এ পদে দায়িত্ব দেওয়ার আগে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্ন উঠেছে।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দায়বদ্ধতা, শিক্ষার মানোন্নয়নে তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং দলীয় পরিচয়ের বাইরে যোগ্যতার নিরপেক্ষ মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।
সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচন কোনো দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে নয়; বরং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ, যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

টাঙ্গাইলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০১:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে—এমন আলোচনা সম্প্রতি জোরালো হয়ে উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
তবে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি করা নিয়ে আপত্তি নেই—এমন মতও রয়েছে। কারণ, রাজনৈতিক পরিচয় কারও অযোগ্যতার প্রমাণ নয়; একইভাবে রাজনৈতিক পরিচয় কারও যোগ্যতার সনদও হতে পারে না।
সংশ্লিষ্টদের মূল প্রশ্ন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কাউকে সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার যোগ্যতা ও সক্ষমতা কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে?
একজন গভর্নিং বডির সভাপতির ওপর প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বার্থ, অভিভাবকদের প্রত্যাশা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকে। ফলে এ পদে দায়িত্ব দেওয়ার আগে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্ন উঠেছে।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দায়বদ্ধতা, শিক্ষার মানোন্নয়নে তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং দলীয় পরিচয়ের বাইরে যোগ্যতার নিরপেক্ষ মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।
সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচন কোনো দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে নয়; বরং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ, যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।