ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টঙ্গীর কুখ্যাত মাদক স্পট ‘হাজির মাজার বস্তি’ গুঁড়িয়ে দিল রাজউক

 

 

গাজীপুরের টঙ্গীর দীর্ঘদিনের কুখ্যাত মাদক স্পট হিসেবে পরিচিত রাজউকের নিজস্ব মালিকানাধীন ‘হাজির মাজার বস্তি’ উচ্ছেদ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টঙ্গী বাজারের কলকারখানা অধিদপ্তর সংলগ্ন ভরান হাজির মাজার বস্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মো. লিটন সরকার-এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এক্সকাভেটর ও পে-লোডার ব্যবহার করে বস্তির সব অবৈধ স্থাপনা এবং মাদক কারবারিদের স্থায়ী আস্তানাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি মাদক ব্যবসা ও অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছিল। দিনের পর দিন প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা চললেও সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে পারতেন না। অবশেষে প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযানে বহুদিনের সেই আতঙ্কের অবসান ঘটায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়াত হোসেন-এর নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। আকস্মিক এই অভিযানে মাদক কারবারি ও অপরাধচক্রের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

রাজউক ও পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধার করা সরকারি জমিতে যাতে পুনরায় কোনো ধরনের অবৈধ দখল, বস্তি নির্মাণ বা মাদকের আখড়া গড়ে উঠতে না পারে, সে জন্য কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। অপরাধ ও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

টঙ্গীর কুখ্যাত মাদক স্পট ‘হাজির মাজার বস্তি’ গুঁড়িয়ে দিল রাজউক

আপডেট সময় : ০২:০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

 

 

গাজীপুরের টঙ্গীর দীর্ঘদিনের কুখ্যাত মাদক স্পট হিসেবে পরিচিত রাজউকের নিজস্ব মালিকানাধীন ‘হাজির মাজার বস্তি’ উচ্ছেদ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টঙ্গী বাজারের কলকারখানা অধিদপ্তর সংলগ্ন ভরান হাজির মাজার বস্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রাজউকের উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মো. লিটন সরকার-এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এক্সকাভেটর ও পে-লোডার ব্যবহার করে বস্তির সব অবৈধ স্থাপনা এবং মাদক কারবারিদের স্থায়ী আস্তানাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি মাদক ব্যবসা ও অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছিল। দিনের পর দিন প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা চললেও সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে পারতেন না। অবশেষে প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযানে বহুদিনের সেই আতঙ্কের অবসান ঘটায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়াত হোসেন-এর নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। আকস্মিক এই অভিযানে মাদক কারবারি ও অপরাধচক্রের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

রাজউক ও পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধার করা সরকারি জমিতে যাতে পুনরায় কোনো ধরনের অবৈধ দখল, বস্তি নির্মাণ বা মাদকের আখড়া গড়ে উঠতে না পারে, সে জন্য কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। অপরাধ ও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।