ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টঙ্গীবাড়ীর মিম এখন চিকিৎসক, গর্বিত পরিবার ও এলাকাবাসী

 

ছোটবেলার স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হওয়ার। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার যশলং ইউনিয়নের পুরা গ্রামের মেয়ে ইশরাত জাহান মিমের। সাদা অ্যাপ্রোন ও গলায় স্টেথোস্কোপ জড়িয়ে এখন তিনি একজন চিকিৎসক।

মেধা, অধ্যবসায় ও মানুষের সেবা করার প্রত্যয়কে ধারণ করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সফলভাবে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন ইশরাত জাহান মিম। তাঁর এই সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

মিমের বাবা লিটন হালদার। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন মিম। তিনি দিঘীরপাড় এ.সি. ইনস্টিটিউশন থেকে এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ এবং মতিঝিল আইডিয়াল কলেজ থেকে এইচএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেন। পরে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন।

চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনার সময় তাঁকে পাড়ি দিতে হয়েছে কঠোর পরিশ্রম ও নির্ঘুম রাতের পথ। অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করে স্বপ্নপূরণ করেন তিনি।

মেয়ের চিকিৎসক হওয়ার খবরে বাবা-মায়ের চোখে আনন্দের অশ্রু। পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি এলাকার মানুষও মিমের সাফল্যে গর্বিত। স্থানীয়দের ভাষ্য, “আমাদের গ্রামের মেয়ে ডাক্তার হয়েছে—এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।”

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মিম শুধু একজন চিকিৎসক হিসেবেই নয়, একজন মানবিক মানুষ হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবেন।

স্থানীয়রা মনে করেন, ইশরাত জাহান মিমের এই সাফল্য টঙ্গীবাড়ীর শিক্ষার্থীদের নতুন করে স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে। তাঁর অর্জন প্রমাণ করে, ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম ও অধ্যবসায় থাকলে প্রত্যন্ত গ্রামের একজন শিক্ষার্থীও বড় স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।

মিমের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তাঁর পরিবার।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

টঙ্গীবাড়ীর মিম এখন চিকিৎসক, গর্বিত পরিবার ও এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ছোটবেলার স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হওয়ার। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার যশলং ইউনিয়নের পুরা গ্রামের মেয়ে ইশরাত জাহান মিমের। সাদা অ্যাপ্রোন ও গলায় স্টেথোস্কোপ জড়িয়ে এখন তিনি একজন চিকিৎসক।

মেধা, অধ্যবসায় ও মানুষের সেবা করার প্রত্যয়কে ধারণ করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সফলভাবে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন ইশরাত জাহান মিম। তাঁর এই সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

মিমের বাবা লিটন হালদার। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন মিম। তিনি দিঘীরপাড় এ.সি. ইনস্টিটিউশন থেকে এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ এবং মতিঝিল আইডিয়াল কলেজ থেকে এইচএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেন। পরে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন।

চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনার সময় তাঁকে পাড়ি দিতে হয়েছে কঠোর পরিশ্রম ও নির্ঘুম রাতের পথ। অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করে স্বপ্নপূরণ করেন তিনি।

মেয়ের চিকিৎসক হওয়ার খবরে বাবা-মায়ের চোখে আনন্দের অশ্রু। পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি এলাকার মানুষও মিমের সাফল্যে গর্বিত। স্থানীয়দের ভাষ্য, “আমাদের গ্রামের মেয়ে ডাক্তার হয়েছে—এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।”

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মিম শুধু একজন চিকিৎসক হিসেবেই নয়, একজন মানবিক মানুষ হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবেন।

স্থানীয়রা মনে করেন, ইশরাত জাহান মিমের এই সাফল্য টঙ্গীবাড়ীর শিক্ষার্থীদের নতুন করে স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে। তাঁর অর্জন প্রমাণ করে, ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম ও অধ্যবসায় থাকলে প্রত্যন্ত গ্রামের একজন শিক্ষার্থীও বড় স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।

মিমের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তাঁর পরিবার।