মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার পূর্ব বালিগাও এলাকার ভাড়াটিয়া বাসা হতে আসমা আক্তার নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই নারী পূর্ব বালিগাওঁ জামে মসজিদের ইমাম মুহসিন উদ্দিন এর স্ত্রী। ওই নারীর মৃত্যূর পর হতে তাহার একমাত্র শিশু কন্যা সন্তানকে নিয়ে উধাও রয়েছেন ইমাম। এতে বিষয়টি নিয়ে রহস্যোর সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ আজ সোমবার ( ৬ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী থানা পুলিশ জানায়, ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলের টিনের ঘরের ভাড়াটিয়া মাওলানা মোহাসিন মাতুব্বর (৩০) এর বাড়িতে যান। ইমাম মোহাসিন মাদবর গোপালগঞ্জ জেলার মোকসেদপুর উপজেলার বাহারা গ্রামের ওমর আলী মাতুব্বর এর ছেলে। তিনি পূর্ব বালিগাঁও জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে গত ৬ মাস যাবত চাকুরি করছেন। এবং তার স্ত্রী আসমা খাতুন এলাকায় বাচ্চাদের বাসায় গিয়ে আারবী পড়ান। বিগত ৪ মাস যাবত ঘটনাস্থলের টিনের ঘরে নিজ স্ত্রী (আসমা খাতুন) ও ৪ বছরের কন্যা সন্তান সহ ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন। আজ বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় মাওলানা মহসিন বাড়ির মালিক মো: নুর ইসলামকে ফোন করেন এবং তার স্ত্রীর অবস্থা জানানোর জন্য বলেন। মহসিন আরো বলেন অনুমান ১১. ঘটিকায় ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে ঢুকে নিজ স্ত্রীকে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। ওড়না কেটে স্ত্রীকে নিচে নামিয়ে নাকে মুখে পানি দিলে, কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে ভয়ে সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে সে জানায়।
এ ব্যাপারে স্থাণীয় কুরবান আলি বলেন, হুজুরের বাড়ি এই জেলায় না। সে বালিগাও গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম খান এর বাড়িতে ভাড়া থেকে পূর্ব বালিগাওঁ জামে মসজিদে ইমামতি করে আসছে। মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ঢাকায় বসবাস করে। আজ বিকাল ৪টার দিকে ইমাম মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামকে ফোন করে তাহার স্ত্রী ঘরের মধ্যে মরে রয়েছে কিনা বিষয়টি খোজ নিতে বলেন। পরে এলাকার লোকজন গিয়ে গলায় রশি দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।
এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী থানা ওসি শামীম আহম্মেদ বলেন, আমরা নিহতের ভাড়া বাসা হতে মরদেহ উদ্ধার করেছি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে বিস্তারিত বলতে পারবো। নিহতের স্বামী পালিয়ে যাওয়ায় বিস্তারিত তথ্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
হারুন রশীদ শেখ স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক বাংলার সংবাদ: 



















