একটি উন্নত, স্বচ্ছ ও মানবিক যাদবপুর ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মো. জহির রায়হান।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যুব সমাজকে খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তার রাজনীতির মূল দর্শন ক্ষমতা নয়—সেবা ও উন্নয়ন।
মো. জহির রায়হানের নির্বাচনী ইশতেহার ও অঙ্গীকার
১. স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন:
ইউনিয়নের অসুস্থ ও জরুরি রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে নিজ অর্থায়নে ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হবে।
২. খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকাশ:
কিশোর-কিশোরীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে নিজ অর্থায়নে প্রতিটি গ্রামে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
৩. স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন:
ইউনিয়নের সকল সরকারি অনুদান, বরাদ্দ ও বাজেটের তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
৪. শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন:
স্কুল ও কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হবে এবং কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
৫. ডিজিটাল ও হয়রানিমুক্ত নাগরিক সেবা:
ইউনিয়নের সকল নাগরিক সেবা সহজ, দ্রুত ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রদান করা হবে, যাতে জনগণ হয়রানি ছাড়াই সেবা পেতে পারে।
৬. মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও সচেতন সমাজ গঠন:
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং যুব সমাজকে খেলাধুলা ও গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা হবে।
৭. কৃতি সন্তান ও গুণীজনদের সম্মাননা:
ইউনিয়নের কৃতি সন্তান ও গুণীজনদের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে সম্মাননা প্রদান করা হবে।
একটি আধুনিক, উদ্দীপ্ত ও মানবিক যাদবপুর ইউনিয়ন গড়তে আপনাদের দোয়া ও আন্তরিক সমর্থন একান্ত কাম্য।
মো. জহির রায়হান বলেন—
“আমি ক্ষমতার রাজনীতি করতে আসিনি। আমি এসেছি মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং যাদবপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও মানবিক ইউনিয়নে রূপান্তরিত করতে
অতিথি রিপোর্টার 



















