ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জৈন্তাপুরে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় স্থানীয় সুধীজনদের অংশগ্রহণে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরিফুল হক চৌধুরী, মাননীয় মন্ত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য।

শনিবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায়।

উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলি রানী দেব, জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) উসমান গনি, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ ১নং নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইনতাজ আলী, ৪নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা ঈদুল আযহার আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জৈন্তাপুর উপজেলার উন্নয়ন, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রবাসীদের কল্যাণে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, জৈন্তা, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ অঞ্চলে পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দ্রুতই একটি পর্যটন সহায়তা কেন্দ্র চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি জৈন্তাপুরের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের চলমান উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন এবং এলাকার উন্নয়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় পর্বে অংশগ্রহণকারীরা এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সুধীজনদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত ঈদ পরবর্তী এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

জৈন্তাপুরে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় স্থানীয় সুধীজনদের অংশগ্রহণে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরিফুল হক চৌধুরী, মাননীয় মন্ত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য।

শনিবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায়।

উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলি রানী দেব, জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) উসমান গনি, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ ১নং নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইনতাজ আলী, ৪নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা ঈদুল আযহার আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জৈন্তাপুর উপজেলার উন্নয়ন, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রবাসীদের কল্যাণে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, জৈন্তা, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ অঞ্চলে পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দ্রুতই একটি পর্যটন সহায়তা কেন্দ্র চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি জৈন্তাপুরের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের চলমান উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন এবং এলাকার উন্নয়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় পর্বে অংশগ্রহণকারীরা এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সুধীজনদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত ঈদ পরবর্তী এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়।