ঢাকা ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপার আসনে চোখ জামায়াতের, শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • 58

জাপার আসনে চোখ জামায়াতের, শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি

বদলে যাচ্ছে রংপুর অঞ্চলের রাজনৈতিক মাঠ। জাতীয় পার্টির একচ্ছত্র আধিপত্যের ময়দানে ভাগ বসাতে মরিয়া বিএনপি ও জামায়াত। জাপার আসনগুলো নিয়ন্ত্রণে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে দুই দল।

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, রংপুরের সব বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থন বেড়েছে।

জাপা সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং মাঠে শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত করতে না পারলে ঐতিহ্যগত আসনগুলোও হারানোর ঝুঁকি থাকবে। এতে বদলে যেতে পারে বিভাগের রাজনৈতিক মানচিত্র। তবে, হারানো আসন উদ্ধারে এবার বেছে বেছে প্রার্থী দিয়েছে জাতীয় পার্টি। ফলে তারাও আশাবাদী এ  নির্বাচনে।

গত কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টির দুর্গে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে রংপুর অঞ্চল থেকে ১৭টি, ১৯৯৬’র নির্বাচনে ২১টি, ২০০১ সালের নির্বাচনে ১৪টি এবং ২০০৮ সালে রংপুর বিভাগ থেকে ১২টি আসন পায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে রংপুর বিভাগে সাতটি, আর ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনে রংপুর বিভাগে মেলে তিনটি আসন। জোট-মহাজোটের খেলায় দিনে দিনে আসনগুলো দখলে নেয় আওয়ামী লীগ।

কিন্তু দলটির পতনের পর ‘দোসর’ কালিমা নিয়ে চলতে হচ্ছে জাপাকে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর একমাত্র রংপুর ছাড়া এই অঞ্চলে জাতীয় পার্টির কোনো গ্রহণযোগ্য, ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্ব গড়ে ওঠেনি। তাঁর মৃত্যুর পর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে জি এম কাদের ও রওশনপন্থী বিভাজনের মারাত্মক প্রভাব পড়ে তৃণমূলে। এতে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে স্থানীয় নেতৃত্ব। কার নির্দেশ মানবেন তা স্পষ্ট ছিল না তাঁদের কাছে।

একই সঙ্গে তৃণমূল সংগঠন ভেঙে পড়া, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি নিষ্কৃয় হওয়ায়। নতুন প্রজন্মের ভোটারদের কাছে জাপার কোনো স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা নেই। সরকারে থেকেও বিরোধী-এই দ্বৈত ভূমিকা ভোটারদের বিভ্রান্ত করেছে। আওয়ামী লীগ উন্নয়ন ও প্রশাসনিক উপস্থিতির মাধ্যমে প্রভাব বাড়িয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াত সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় হওয়ায় এই দুই দলের মাঝখানে জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে।

এছাড়া, তৃণমূলে জাতীয় পার্টির সাবেক ভোটব্যাংক কেউ আওয়ামী লীগে, কেউ বিএনপিতে, কেউ নতুন বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর দিকে ঝুঁকছে। একাধিক নির্বাচনে অজনপ্রিয় ও বিতর্কিত প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ায় জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও জাতীয় পার্টি কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। মূলত এসব কারণে রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে দলটি।

এদিকে, জাপার আসনগুলোতে সাংগঠনিকভাবে ও ভোটে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করেছে বিএনপি। বিভাগের ৩৩টি আসনের ২০টির বেশি আসনে জয় পেতে চায় দলটি। নেতাদের দাবী, মাঠের রাজনীতি ও ভোটার যোগাযোগে তারাই এগিয়ে।

অন্যদিকে জামায়াত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাপার এমন রাজনৈতিক  প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁরা সংগঠন শক্তিশালী করেছেন। তাঁদের দাবি,  কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-৩, কুড়িগ্রাম-৪, গাইবান্ধা-১, গাইবান্ধা- ২, রংপুর-১,  রংপুর-২, রংপুর-৫, রংপুর-৬, লালমনিরহাট-১, নীলফামারী-১, নীলফামারী-২, দিনাজপুর-১, দিনাজপুর-৪, ঠাকুরগাঁও-১, ঠাকুরগাঁও-২, পঞ্চগড়-১ এবং পঞ্চগড়-২ আসন তাদের মূল লক্ষ। এই আসনগুলোর মধ্যে কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-৩, গাইবান্ধা-১ এবং গাইবান্ধা- ২ আসনে জাপা ও বিএনপির সঙ্গে লড়াই হবে জামায়াতের। রংপুর-৫ আসনে  জামায়াতকে লড়তে হবে জাতীয় পার্টির সঙ্গে। অন্যগুলোতে জামায়াতের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জাপা নেতা বলেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বা সমঝোতা না করে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিলেও  মনে হয় এতটা বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হয়েছে।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা বলেন, এই নির্বাচনে যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে, তাহলে আগের গৌরবোজ্জল ইতিহাস ফিরে আসবে। রংপুর অঞ্চলে জাতীয় পার্টি অত্যন্ত সুসংগঠিত ও শক্তিশালী। সম্প্রতি পূর্ব প্রস্ততি ছাড়াই হাজার হাজার নেতাকর্মী কার্যালয়ে  এসেছেন। তিনি বলেন, আমাদের দলের নেতাকর্মীরা অত্যন্ত  দলবান্ধব। এর পরও সাংগঠনিক তৎপরতা এবং ভিত্তি আরো মজবুত করতে সব কর্মসূচিই নিয়েছি।

রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামছুজ্জামান সামু বলেন, একটি বিশেষ পরিস্থিতির কারণে রংপুরের মানুষ জাতীয় পার্টির পক্ষ নিয়েছিল। কিন্তু তারা দীর্ঘদিন ধরে রংপুরের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। সে  কারণে মানুষও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তারা পরিবর্তন চায়। জাতীয় পার্টিকে আর দেখতে চায় না, যা প্রমাণিত হয়েছে বিগত নির্বাচনে। এবারও তাই হবে। আমরা উন্নয়ন ও সুবিচারের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি। ফলে সাধারণ মানুষ বিএনপিকেই ভোট দেবে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সূরা সদস্য অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বেলাল বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলে জাতীয় পার্টি যে কাজটি করেছে, আমি মনে করি এটা দেশবিরোধী, জাতিবিরোধী কাজ। হাসিনাকে খুনি হাসিনা বানানোর জন্য তারাই (জাপা) সরাসরি সহযোগিতা করেছে। গত তিনটি নির্বাচনে বৈধতা দিয়েছে। হাস্যকরভাবে বিরোধীদলের হয়ে সরকারি দলে ছিল। তারা জনগণকে মিথ্যা আবেগ দিয়ে ভোট নেয়। সেটি মানুষ বুঝতে পেরেছে। ফলে এই নির্বাচন জাপার জন্য কঠিন সময়ের সূচনা হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

জাপার আসনে চোখ জামায়াতের, শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বদলে যাচ্ছে রংপুর অঞ্চলের রাজনৈতিক মাঠ। জাতীয় পার্টির একচ্ছত্র আধিপত্যের ময়দানে ভাগ বসাতে মরিয়া বিএনপি ও জামায়াত। জাপার আসনগুলো নিয়ন্ত্রণে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে দুই দল।

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, রংপুরের সব বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থন বেড়েছে।

জাপা সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং মাঠে শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত করতে না পারলে ঐতিহ্যগত আসনগুলোও হারানোর ঝুঁকি থাকবে। এতে বদলে যেতে পারে বিভাগের রাজনৈতিক মানচিত্র। তবে, হারানো আসন উদ্ধারে এবার বেছে বেছে প্রার্থী দিয়েছে জাতীয় পার্টি। ফলে তারাও আশাবাদী এ  নির্বাচনে।

গত কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টির দুর্গে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে রংপুর অঞ্চল থেকে ১৭টি, ১৯৯৬’র নির্বাচনে ২১টি, ২০০১ সালের নির্বাচনে ১৪টি এবং ২০০৮ সালে রংপুর বিভাগ থেকে ১২টি আসন পায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে রংপুর বিভাগে সাতটি, আর ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনে রংপুর বিভাগে মেলে তিনটি আসন। জোট-মহাজোটের খেলায় দিনে দিনে আসনগুলো দখলে নেয় আওয়ামী লীগ।

কিন্তু দলটির পতনের পর ‘দোসর’ কালিমা নিয়ে চলতে হচ্ছে জাপাকে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর একমাত্র রংপুর ছাড়া এই অঞ্চলে জাতীয় পার্টির কোনো গ্রহণযোগ্য, ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্ব গড়ে ওঠেনি। তাঁর মৃত্যুর পর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে জি এম কাদের ও রওশনপন্থী বিভাজনের মারাত্মক প্রভাব পড়ে তৃণমূলে। এতে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে স্থানীয় নেতৃত্ব। কার নির্দেশ মানবেন তা স্পষ্ট ছিল না তাঁদের কাছে।

একই সঙ্গে তৃণমূল সংগঠন ভেঙে পড়া, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি নিষ্কৃয় হওয়ায়। নতুন প্রজন্মের ভোটারদের কাছে জাপার কোনো স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা নেই। সরকারে থেকেও বিরোধী-এই দ্বৈত ভূমিকা ভোটারদের বিভ্রান্ত করেছে। আওয়ামী লীগ উন্নয়ন ও প্রশাসনিক উপস্থিতির মাধ্যমে প্রভাব বাড়িয়েছে।

বিএনপি ও জামায়াত সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় হওয়ায় এই দুই দলের মাঝখানে জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে।

এছাড়া, তৃণমূলে জাতীয় পার্টির সাবেক ভোটব্যাংক কেউ আওয়ামী লীগে, কেউ বিএনপিতে, কেউ নতুন বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর দিকে ঝুঁকছে। একাধিক নির্বাচনে অজনপ্রিয় ও বিতর্কিত প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ায় জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও জাতীয় পার্টি কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। মূলত এসব কারণে রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে দলটি।

এদিকে, জাপার আসনগুলোতে সাংগঠনিকভাবে ও ভোটে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করেছে বিএনপি। বিভাগের ৩৩টি আসনের ২০টির বেশি আসনে জয় পেতে চায় দলটি। নেতাদের দাবী, মাঠের রাজনীতি ও ভোটার যোগাযোগে তারাই এগিয়ে।

অন্যদিকে জামায়াত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাপার এমন রাজনৈতিক  প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁরা সংগঠন শক্তিশালী করেছেন। তাঁদের দাবি,  কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-৩, কুড়িগ্রাম-৪, গাইবান্ধা-১, গাইবান্ধা- ২, রংপুর-১,  রংপুর-২, রংপুর-৫, রংপুর-৬, লালমনিরহাট-১, নীলফামারী-১, নীলফামারী-২, দিনাজপুর-১, দিনাজপুর-৪, ঠাকুরগাঁও-১, ঠাকুরগাঁও-২, পঞ্চগড়-১ এবং পঞ্চগড়-২ আসন তাদের মূল লক্ষ। এই আসনগুলোর মধ্যে কুড়িগ্রাম-১, কুড়িগ্রাম-৩, গাইবান্ধা-১ এবং গাইবান্ধা- ২ আসনে জাপা ও বিএনপির সঙ্গে লড়াই হবে জামায়াতের। রংপুর-৫ আসনে  জামায়াতকে লড়তে হবে জাতীয় পার্টির সঙ্গে। অন্যগুলোতে জামায়াতের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জাপা নেতা বলেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বা সমঝোতা না করে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিলেও  মনে হয় এতটা বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হয়েছে।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা বলেন, এই নির্বাচনে যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে, তাহলে আগের গৌরবোজ্জল ইতিহাস ফিরে আসবে। রংপুর অঞ্চলে জাতীয় পার্টি অত্যন্ত সুসংগঠিত ও শক্তিশালী। সম্প্রতি পূর্ব প্রস্ততি ছাড়াই হাজার হাজার নেতাকর্মী কার্যালয়ে  এসেছেন। তিনি বলেন, আমাদের দলের নেতাকর্মীরা অত্যন্ত  দলবান্ধব। এর পরও সাংগঠনিক তৎপরতা এবং ভিত্তি আরো মজবুত করতে সব কর্মসূচিই নিয়েছি।

রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামছুজ্জামান সামু বলেন, একটি বিশেষ পরিস্থিতির কারণে রংপুরের মানুষ জাতীয় পার্টির পক্ষ নিয়েছিল। কিন্তু তারা দীর্ঘদিন ধরে রংপুরের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। সে  কারণে মানুষও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তারা পরিবর্তন চায়। জাতীয় পার্টিকে আর দেখতে চায় না, যা প্রমাণিত হয়েছে বিগত নির্বাচনে। এবারও তাই হবে। আমরা উন্নয়ন ও সুবিচারের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি। ফলে সাধারণ মানুষ বিএনপিকেই ভোট দেবে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সূরা সদস্য অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বেলাল বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলে জাতীয় পার্টি যে কাজটি করেছে, আমি মনে করি এটা দেশবিরোধী, জাতিবিরোধী কাজ। হাসিনাকে খুনি হাসিনা বানানোর জন্য তারাই (জাপা) সরাসরি সহযোগিতা করেছে। গত তিনটি নির্বাচনে বৈধতা দিয়েছে। হাস্যকরভাবে বিরোধীদলের হয়ে সরকারি দলে ছিল। তারা জনগণকে মিথ্যা আবেগ দিয়ে ভোট নেয়। সেটি মানুষ বুঝতে পেরেছে। ফলে এই নির্বাচন জাপার জন্য কঠিন সময়ের সূচনা হতে পারে।