ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি” ভোলা জেলা কর্তৃক আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা

বাংলাদেশের মানুষ আর দলীয়করণ, তদবির ও স্বজনপ্রীতির রাজনীতি দেখতে চায় না। জনগণ চায় একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র—যেখানে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা দলীয় সুপারিশের ভিত্তিতে নয়।

বিএনপি যদি তাদের অতীতের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে আবারও দলীয় সুপারিশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের চেষ্টা করে, যদি ভাইভা বোর্ডকে দলীয় বোর্ডে পরিণত করে নিজেদের পছন্দের লোকদের নিয়োগ দেওয়ার পথ তৈরি করতে চায়—তাহলে মনে রাখতে হবে, এই বাংলাদেশ আর আগের বাংলাদেশ নেই।

এ দেশের তরুণ সমাজ তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন। একজন মেধাবী তরুণের চাকরি কোনো নেতার সুপারিশের কাছে জিম্মি হতে পারে না। রাষ্ট্রের প্রশাসন কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যালয় নয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান কোনো দলের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।

আমরা চাই—নিয়োগে মেধা, প্রশাসনে নিরপেক্ষতা, রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতা এবং সর্বক্ষেত্রে জনগণের অধিকার।

কেউ যদি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে আবারও দলীয়করণের পথে নিয়ে যেতে চায়, জনগণ তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। তবে সেই প্রতিরোধ হবে গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক উপায়ে।

তদবিরের রাজনীতি নয়—মেধার রাজনীতি চাই।
দলীয় নিয়োগ নয়—যোগ্যতার মূল্যায়ন চাই।
দখলদারিত্ব নয়—জনগণের অধিকার চাই।

একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে।

জনগণ জাগলে কোনো অপচেষ্টাই সফল হবে না—ইনশাআল্লাহ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি” ভোলা জেলা কর্তৃক আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা

আপডেট সময় : ১০:১০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের মানুষ আর দলীয়করণ, তদবির ও স্বজনপ্রীতির রাজনীতি দেখতে চায় না। জনগণ চায় একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র—যেখানে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা দলীয় সুপারিশের ভিত্তিতে নয়।

বিএনপি যদি তাদের অতীতের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে আবারও দলীয় সুপারিশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের চেষ্টা করে, যদি ভাইভা বোর্ডকে দলীয় বোর্ডে পরিণত করে নিজেদের পছন্দের লোকদের নিয়োগ দেওয়ার পথ তৈরি করতে চায়—তাহলে মনে রাখতে হবে, এই বাংলাদেশ আর আগের বাংলাদেশ নেই।

এ দেশের তরুণ সমাজ তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন। একজন মেধাবী তরুণের চাকরি কোনো নেতার সুপারিশের কাছে জিম্মি হতে পারে না। রাষ্ট্রের প্রশাসন কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যালয় নয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান কোনো দলের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।

আমরা চাই—নিয়োগে মেধা, প্রশাসনে নিরপেক্ষতা, রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতা এবং সর্বক্ষেত্রে জনগণের অধিকার।

কেউ যদি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে আবারও দলীয়করণের পথে নিয়ে যেতে চায়, জনগণ তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। তবে সেই প্রতিরোধ হবে গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক উপায়ে।

তদবিরের রাজনীতি নয়—মেধার রাজনীতি চাই।
দলীয় নিয়োগ নয়—যোগ্যতার মূল্যায়ন চাই।
দখলদারিত্ব নয়—জনগণের অধিকার চাই।

একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে।

জনগণ জাগলে কোনো অপচেষ্টাই সফল হবে না—ইনশাআল্লাহ।