বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিজমের আমলে সংবিধানে
শুধু সং ছিলো,বিধান ছিলোনা,
বর্তমানে আমাদের দলের গঠনতন্ত্রের
নিয়ম নীতি কিছুই মানা হচ্ছেনা।
একজন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জনাব,ফরহাদ হালিম ডোনার তিনিও দেখলাম জাতীয় স্হায়ী কমিটির সদস্য হলেন।
নিয়ম নীতি এখন ঘোলা জ্বলে গুলিয়ে গেছে।
আমাদের গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী
নির্বাহী কমিটির নিয়ম হলো সদস্য এবং বিভিন্ন সম্পাদক সহ- সম্পাদক তার পর
যুগ্নঃ সম্পাদক
সিনিয়র যুগ্নঃ সম্পাদক
তারপর ভাইস চেয়ারম্যান
সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান,
সর্বশেষ স্হায়ী কমিটির সদস্য।
কিন্তু গত দুইদিন আগে স্হায়ী কমিটির
৪ জন সদস্য হলেন,তার মধ্যে একজন তো লিখলাম।
আসলেই আমরা দলের কোন নিয়ম কোন
প্রোটোকল ফলো করবো ঠিক বুঝতেছিনা।
দল যখন করি তখন দলের নীতি আদর্শ
ভাবমূর্তি বজায় রেখেই আমাদের সকলের চলা উচিৎ বলে আমি মনে করি।
তবে গঠনতন্ত্র প্রতিটি বিএনপির সদস্য ও সমর্থকদের পড়া উচিৎ।
দলে কয়টা অংগ ও সহযোগী সংগঠন আছে
সেই সংগঠন গুলোর কমিটির কি কি নিয়ম নীতিমালা আছে সেটা প্রতিটি সদস্যের জানা জরুরী।
জানলে কথা বলা যায়,
না জানলে লজ্জার সামিল।
আমাদের কপালে কি আছে জানিনা।
শুনতেছি ডিসেম্বরের মধ্যে সব কমিটি
নাকি কমপ্লিট করে।
যদি তাই হয় তাহলে দলের কমিটি দেয়া বা কমিটি করার
দায়ীত্ববার যাদের উপর বর্ত্যাবে
উনারা যেন মনগড়া বিতর্কিত কোনো কমিটি না দেন, এবং প্রতিটি সংগঠনের কমিটি
ভোটের মাধ্যমে কাউন্সিল করে দিলে
কমিটিতে সঠিক নেতৃত্ব আসবে।
বিতর্ক হওয়ার সম্ভাবনা তেমন থাকবেনা।
কষ্ট তো করেছি দির্ঘ ২৭ বছর রাজনৈতিক
জীবনে নির্যাতন জেল জুলুম বহু কাঠখড়ি
পুড়িয়েছি জুতার তলাও খইয়েছি।
তবুও এখনো দলের আপন হতে পারিনি।
গ্রুপিং রাজনীতি পছন্দ করিনা
তৈলমর্দন ও করতে পারিনা,
এগুলোর কারনেও হয়তো দল মুল্যায়ন করতে চাইনা।
মাঠের রাজনীতি বিরোধী দলের
রাজনীতি করে শত শত জুলুম নির্যাতন সহ্য করে টিকে থাকা সেটাও বড় ভাগ্যের ব্যাপার।
আমি তো আর রাজ কপাল নিয়ে জন্ম হইনি।
কোনো এমপি মন্ত্রীর মেয়ে আশে পাশে বা নিকটতম আত্বীয় ও নই।
সে জন্য হয়তো কষ্টের পাহাড় বুকে জমাট বেধে নীরবে সহ্য করে ধৈর্য্য ধারন করে পড়ে আছি, দেখিনা বিধি আমার কপালে কি রেখেছে।
সব কিছুর পরে বলবো মহানআল্লাহ
উত্তম পরিকল্পনাকারী।
আল্লাহ ভরসা।
স্টাফ রিপোর্টার : ফজলুর রহমান খান (ঢাকা) 



















