গাজীপুরের মহাগরীর পূবাইল থানা এলাকায় লেগুনা চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার হয়েছেন গাড়ি চালক সালমান নামে এক যুবক।এ বিষয়ে চালক সালমানের পিতা হাফিজুর রহমান পূবাইল থানায় ৪ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,১লা জুলাই বুধবার রাতে সালমানের পূর্ব পরিচিত হাবু মিয়া টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় ভাড়া মারার জন্য ১টি লেগুনা গাড়ির চাবি বুঝিয়ে দেন পরে মিরের বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে ফের টঙ্গী সিলমন থেকে গাড়ি স্টেশন রোড যাওয়ার আমতলী ব্রীজ সংলগ্ন পথিমধ্যে মোটর বাইক যুগে দুইজন পরবর্তীতে আরো কয়েকজন লোক গতিরোধ করে লেগুনা গাড়ি থামিয়ে তাকে এলোপাথারি মারধর করে পরবর্তীতে তার পরিচয় জানা সত্ত্বেও তাকে একই এলাকার তার প্রতিবেশী শহিদুল জামাই, রাসেল ও তার পিতা সুরুজ মিয়াসহ আরো কয়েকজন মিলে ভোরে পূবাইল স্টেশন বালুর মাঠ নিয়ে এসে প্রথমে গাছের সাথে বেঁধে আবারো কলের পাইপ ও বাঁশ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে সকাল ৭:৪৫ মিনিটে জৈনক পূবাইল কলেজ গেইট দেলুর মার্কেটের সামনে ফেলে রেখে যায়।পরবর্তীতে সালমানের পরিবার তাকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান।যার চিকিৎসা রেজি নং ৫০৩৭/১১ তারিখ ১/৭/২০২৬ইং
এখনো অসুস্থ সালমান হাসপাতলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।এ বিষয়ে সুরুজ মিয়া ও রাসেলের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানান আমাদের লেগুনা গাড়ি চুরি করে নিয়ে যাওয়ায় আমরা এই কাজ করেছি।ঘটনার পর আমরা পূবাইল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।সালমানের পিতা হাফিজুল ইসলাম জানান আমার ছেলে যদি চুরি করে তাহলে আইন তার বিচার করবে।আমাদের পরিচয় দেওয়া সত্ত্বেও কেন তারা নিজ হাতে লাঠি দিয়ে মেরে আমার ছেলেকে গুরুতর আহত করেছে এবং হাড় ভেঙেছে আমি এর বিচার চাই।
এ ঘটনায় হাবু, শহিদুল ইসলাম শহিদ,রাসেল মিয়া ও সুরুজ মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পূবাইল থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোঃ সজল মিয়া গাজীপুর পূবাইল ( প্রতিনিধি ) 



















