ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিলমারী নদীবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ফেরি ‘কুঞ্জলতা

 

কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে চিলমারী-রৌমারী নৌপথে চলাচলকারী ফেরি ‘কুঞ্জলতা’ মেরামতের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ফেরিটি ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়। এতে এই নৌপথে পারাপারের জন্য বর্তমানে একটিমাত্র ফেরি সচল থাকায় ঘাটে পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী ফেরিঘাটের ইনচার্জ মো. আকিব সোহেল আকাশ জানান,১৪ জুলাই সকাল ৮টা ২০ মিনিটে কুঞ্জলতা ফেরিটি ডকইয়ার্ডের উদ্দেশে চিলমারী ত্যাগ করে। বর্তমানে এই রুটে ‘কদম’ নামের একমাত্র ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
ফেরি কমে যাওয়ায় ঘাটে অপেক্ষার সময় বেড়েছে এবং এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকেরা। সোনাহাট স্থলবন্দর থেকে পাথর নিয়ে আসা ট্রাকচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আগেও ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো। এখন একটি ফেরি চলে যাওয়ায় অপেক্ষার সময় আরও বাড়বে। এতে সময় নষ্টের পাশাপাশি পরিবহন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।”
বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, কুঞ্জলতা ফেরিটির সার্ভে সনদ হালনাগাদ ও ডকিং মেরামতের জন্য গতকাল সোমবার প্রধান প্রকৌশলী মো. জিয়াউল ইসলাম এক চিঠিতে নির্দেশনা দেন। এই মেরামত কাজ শেষ হতে প্রায় ৩ মাস সময় লাগতে পারে।
ঘাটের ইনচার্জ আকিব সোহেল আকাশ বলেন, “ফেরিটি ডকইয়ার্ডে পৌঁছানোর পর আমরা বিকল্প ফেরির জন্য আবেদন করব। একটি ফেরি দিয়ে চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

চিলমারী নদীবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ফেরি ‘কুঞ্জলতা

আপডেট সময় : ১২:০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

 

কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে চিলমারী-রৌমারী নৌপথে চলাচলকারী ফেরি ‘কুঞ্জলতা’ মেরামতের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ফেরিটি ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়। এতে এই নৌপথে পারাপারের জন্য বর্তমানে একটিমাত্র ফেরি সচল থাকায় ঘাটে পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী ফেরিঘাটের ইনচার্জ মো. আকিব সোহেল আকাশ জানান,১৪ জুলাই সকাল ৮টা ২০ মিনিটে কুঞ্জলতা ফেরিটি ডকইয়ার্ডের উদ্দেশে চিলমারী ত্যাগ করে। বর্তমানে এই রুটে ‘কদম’ নামের একমাত্র ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
ফেরি কমে যাওয়ায় ঘাটে অপেক্ষার সময় বেড়েছে এবং এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকেরা। সোনাহাট স্থলবন্দর থেকে পাথর নিয়ে আসা ট্রাকচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আগেও ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো। এখন একটি ফেরি চলে যাওয়ায় অপেক্ষার সময় আরও বাড়বে। এতে সময় নষ্টের পাশাপাশি পরিবহন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।”
বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, কুঞ্জলতা ফেরিটির সার্ভে সনদ হালনাগাদ ও ডকিং মেরামতের জন্য গতকাল সোমবার প্রধান প্রকৌশলী মো. জিয়াউল ইসলাম এক চিঠিতে নির্দেশনা দেন। এই মেরামত কাজ শেষ হতে প্রায় ৩ মাস সময় লাগতে পারে।
ঘাটের ইনচার্জ আকিব সোহেল আকাশ বলেন, “ফেরিটি ডকইয়ার্ডে পৌঁছানোর পর আমরা বিকল্প ফেরির জন্য আবেদন করব। একটি ফেরি দিয়ে চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।”