ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে পল্লী বিদ্যুতের বিল নিয়ে বাড়ছে গ্রাহক ভোগান্তি, সমাধানের দাবি

চাঁদপুরে পল্লী বিদ্যুতের বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ ও ভোগান্তি যেন দিন দিন বাড়ছেই। অতিরিক্ত বিল, বিল বিতরণে অনিয়ম, একসঙ্গে কয়েক মাসের বিল প্রদান, বিলম্ব ফি আরোপ এবং পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিভিন্ন উপজেলার গ্রাহকরা। সাম্প্রতিক সময়ে ফরিদগঞ্জে বিল ও সংযোগ বিচ্ছিন্নকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাও এ সংকটকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো বিদ্যুৎ বিল হাতে পৌঁছায় না। পরে দুই বা তিন মাসের বিল একসঙ্গে পরিশোধ করতে বলা হয়। বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত জরিমানাও গুনতে হচ্ছে বলে দাবি তাদের। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
এছাড়া অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেন, প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় অস্বাভাবিক বিল আসছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযোগ করেও দ্রুত সমাধান মিলছে না বলে তারা জানান। অতীতেও চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত বা তথাকথিত “ভূতুড়ে” বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে।
সম্প্রতি ফরিদগঞ্জে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে বিদ্যুৎ কর্মী ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিদ্যুৎ কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে জোনাল অফিসে বিক্ষোভ করেন। ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, গ্রাহকদের হয়রানি কমাতে নিয়মিত মিটার রিডিং, সময়মতো বিল বিতরণ, অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং স্বচ্ছ গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিও উঠেছে।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিল সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ সংশ্লিষ্ট জোনাল অফিসে বা তাদের নির্ধারিত অভিযোগ কেন্দ্রের মাধ্যমে জানানো যেতে পারে এবং অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

চাঁদপুরে পল্লী বিদ্যুতের বিল নিয়ে বাড়ছে গ্রাহক ভোগান্তি, সমাধানের দাবি

আপডেট সময় : ০৪:১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

চাঁদপুরে পল্লী বিদ্যুতের বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ ও ভোগান্তি যেন দিন দিন বাড়ছেই। অতিরিক্ত বিল, বিল বিতরণে অনিয়ম, একসঙ্গে কয়েক মাসের বিল প্রদান, বিলম্ব ফি আরোপ এবং পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিভিন্ন উপজেলার গ্রাহকরা। সাম্প্রতিক সময়ে ফরিদগঞ্জে বিল ও সংযোগ বিচ্ছিন্নকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাও এ সংকটকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো বিদ্যুৎ বিল হাতে পৌঁছায় না। পরে দুই বা তিন মাসের বিল একসঙ্গে পরিশোধ করতে বলা হয়। বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত জরিমানাও গুনতে হচ্ছে বলে দাবি তাদের। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
এছাড়া অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেন, প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় অস্বাভাবিক বিল আসছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযোগ করেও দ্রুত সমাধান মিলছে না বলে তারা জানান। অতীতেও চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত বা তথাকথিত “ভূতুড়ে” বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে।
সম্প্রতি ফরিদগঞ্জে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে বিদ্যুৎ কর্মী ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিদ্যুৎ কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে জোনাল অফিসে বিক্ষোভ করেন। ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, গ্রাহকদের হয়রানি কমাতে নিয়মিত মিটার রিডিং, সময়মতো বিল বিতরণ, অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং স্বচ্ছ গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিও উঠেছে।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিল সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ সংশ্লিষ্ট জোনাল অফিসে বা তাদের নির্ধারিত অভিযোগ কেন্দ্রের মাধ্যমে জানানো যেতে পারে এবং অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।