ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দর ও কমলাপুর আইসিডিতে ৪ গুণ স্টোর রেন্ট মওকুফের মেয়াদ বাড়ল।

ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দিতে এবং বন্দরের কার্যক্রমে গতিশীলতা ফেরাতে আমদানিকৃত এফসিএল (Full Container Load) কনটেইনারের ওপর আরোপিত ৪ গুণ বর্ধিত স্টোর রেন্ট মওকুফের সুবিধা আরও এক মাস বাড়িয়েছে কর্তৃপক্ষ। ১ মে ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই সুবিধা আগামী ৩০ মে ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

চট্টগ্রাম বন্দর অভ্যন্তরীণ ইয়ার্ড এবং ঢাকার কমলাপুর আইসিডি।

শুধুমাত্র আমদানিকৃত পণ্যবাহী এফসিএল কনটেইনারের ক্ষেত্রে এই ছাড় কার্যকর হবে।

খালি (Empty) কনটেইনারের ক্ষেত্রে এই মওকুফ সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।

পূর্বের সুবিধা ৩০ এপ্রিল শেষ হওয়ার পর নতুন করে ১ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত দুটি প্রধান উদ্দেশ্যে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে:
১. বন্দরের ভেতরে কনটেইনার জট কমিয়ে অপারেশনাল কার্যক্রম সচল রাখা।
২. আমদানিকারকদের দ্রুত পণ্য খালাসে উৎসাহিত করা।

বন্দর সংশ্লিষ্টদের মতে, স্টোর রেন্ট মওকুফ হওয়ায় আমদানিকারকদের বড় অংকের খরচ সাশ্রয় হবে। এই খরচ কমে আসার ফলে বাজারে আমদানি করা পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে, যার সুফল সরাসরি সাধারণ ভোক্তারা পাবেন।

এই সুযোগ গ্রহণ করে ব্যবসায়ীদের দ্রুত কনটেইনার ডেলিভারি নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে বন্দরের ইয়ার্ডে চাপ কমে এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে স্বাভাবিক গতি বজায় থাকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

চট্টগ্রাম বন্দর ও কমলাপুর আইসিডিতে ৪ গুণ স্টোর রেন্ট মওকুফের মেয়াদ বাড়ল।

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দিতে এবং বন্দরের কার্যক্রমে গতিশীলতা ফেরাতে আমদানিকৃত এফসিএল (Full Container Load) কনটেইনারের ওপর আরোপিত ৪ গুণ বর্ধিত স্টোর রেন্ট মওকুফের সুবিধা আরও এক মাস বাড়িয়েছে কর্তৃপক্ষ। ১ মে ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই সুবিধা আগামী ৩০ মে ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

চট্টগ্রাম বন্দর অভ্যন্তরীণ ইয়ার্ড এবং ঢাকার কমলাপুর আইসিডি।

শুধুমাত্র আমদানিকৃত পণ্যবাহী এফসিএল কনটেইনারের ক্ষেত্রে এই ছাড় কার্যকর হবে।

খালি (Empty) কনটেইনারের ক্ষেত্রে এই মওকুফ সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।

পূর্বের সুবিধা ৩০ এপ্রিল শেষ হওয়ার পর নতুন করে ১ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত দুটি প্রধান উদ্দেশ্যে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে:
১. বন্দরের ভেতরে কনটেইনার জট কমিয়ে অপারেশনাল কার্যক্রম সচল রাখা।
২. আমদানিকারকদের দ্রুত পণ্য খালাসে উৎসাহিত করা।

বন্দর সংশ্লিষ্টদের মতে, স্টোর রেন্ট মওকুফ হওয়ায় আমদানিকারকদের বড় অংকের খরচ সাশ্রয় হবে। এই খরচ কমে আসার ফলে বাজারে আমদানি করা পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে, যার সুফল সরাসরি সাধারণ ভোক্তারা পাবেন।

এই সুযোগ গ্রহণ করে ব্যবসায়ীদের দ্রুত কনটেইনার ডেলিভারি নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে বন্দরের ইয়ার্ডে চাপ কমে এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে স্বাভাবিক গতি বজায় থাকে।