মাত্র দুই বছর বয়স সবে মাত্র হাটা শিখেছে, তাকেই কাল হলো ওয়াজিফার। মা কাজে ব্যাস্ত কখন যে পানির কাছে গিয়ে পড়ে গেছে কেউ টের পেলোনা।গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাঙ্গুনিয়ার শিলক পুরাতন পাড়া এলাকায় এ দু/র্ঘটনাটি ঘটেছে। শিশু ওয়াজিফাকে বালতি থেকে তুলে হাসপাতালে নিলেও বাঁচানো প্রাণ। কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন ওয়াজিফা চলে গেছে না ফেরার দেশে নিস্পাপ ফুল হয়ে।😓 নিহত শিশুটি ওই এলাকার মোজাম্মেল ও তুহিন আক্তার দম্পতির মেয়ে।
একটু অসতর্কতা, আর মুহূর্তের মধ্যেই থেমে গেল একটি ছোট্ট প্রাণ। ঘটনাটি শুধু একটি পরিবারের জন্য শোকের নয়, বরং সব মা-বাবার জন্যও একটি কঠিন সতর্কবার্তা।
শিশুরা খেলতে গিয়ে কখন, কোথায় চলে যায় তা সবসময় বোঝা যায় না। তাই ঘরে বালতি, ড্রাম, গামলা কিংবা অন্য কোনো পাত্রে পানি থাকলে তা অবশ্যই শিশুর নাগালের বাইরে রাখতে হবে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের এক মুহূর্তের জন্যও পানির কাছে একা ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। একটি ছোট্ট সতর্কতাই হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি নিষ্পাপ প্রাণ




















