চকরিয়ায় এক অসহায় পরিবারের বসতভিটার সামান্য মাথাগোজার জায়গাটুকুও জবর দখলে নিতে দীর্ঘদিন অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে একই এলাকার মৃত রবীন্দ্র দাশের ছেলে ভুবন দাশ গংয়ের বিরুদ্ধে। এমনকি ভীটের বাউন্ডারি নির্মাণে বাঁধাসহ মোটা দাগের চাঁদা চাওয়া হয়। সীমানা রক্ষণে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করতে গিয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর সহ ৭জন নারী পুরুষ আহত হয়েছে। চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের অলিশাহ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা উল্টো ভুক্তভোগী মৃত সোনা রাম আচাৰ্য্যের স্ত্রী শোভা রাণী আচার্য্য (৬৯) পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা (জিআর) মামলা করে। মামলায় অসহায় শোভা রাণী আচার্য্য পরিবারের দুইজনকে পুলিশ আটক করেছে।
এদিকে, বৃদ্ধা শোভা রানী আচার্য্য বারবার কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে জানান, তাদের উপর হামলা সহ ইতিপূর্বের বিষয়ে থানায় তারা একাধিক বার লিখিত অভিযোগ করলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তাদের পরিবারের ২ জন মেয়ে শিক্ষানবিশ আইনজীবী। কোর্টে প্রেকটিশ করছেন। অপরদিকে, ভুবন দাশ গংয়ের পরিবারের ৪ জন সদস্য পুলিশের সদস্য পদে চাকুরী করেন। সেই সুবাদে পুলিশকে ব্যবহার করে তাদেরকে আইনি সুবিধা নিতে দিচ্ছেননা। এমনকি থানায় দেয়া দুইটি অভিযোগ ও এজাহার তদন্তেও আসেনি।
ভুক্তভোগী পরিবার জানান, ঘুনিয়া মৌজার বিএস ১২৩২ খতিয়ানের বিএস ১৫৮ দাগের ৮শতক জমি রেকর্ড চুড়ান্ত প্রচার আছে। আমার বসতভিটায় বাউন্ডারি নির্মাণে দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় আমাদের ওপর হামলা চালায়,হামলায় আহত হন ছেলে টুন্টু আচার্য্য,মন্টু,ছোটন,মেয়ে পাপলা,শাপলা ও মুক্তা কে মারধরসহ শালীনতা হানি করেন।দফায় দফায় হামলা চালিয়ে বসতবাড়ি ভাংচুর স্বর্ণলংকারসহ গুরুত্বপূর্ণ আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যায়। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি, এ বিষয়ে প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ 



















