ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘাটাইলে প্রকাশ্যেই শিক্ষিকাকে চড়-ঘুষি, আতঙ্কে বিদ্যালয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত!

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত ‘ডাঃ শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে’ এক নারী শিক্ষিকাকে প্রকাশ্যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত কিশোর অত্র বিদ্যালয়েরই নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী, যে একই স্কুলের দপ্তরির ছেলে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বিদ্যালয় ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

​ঘটনার বিবরণ:

​বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ক্লাস চলাকালীন সময়ে কোনো একটি বিষয় নিয়ে অত্র বিদ্যালয়ের ওই নারী শিক্ষিকার সাথে দপ্তরির ছেলের কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বাকবিতণ্ডা রূপ নেয় সহিংসতায়। উপস্থিত সকলকে হতবাক করে দিয়ে নবম শ্রেণির ওই ছাত্র শিক্ষিকার গায়ে হাত তোলে এবং তাকে চড় ও ঘুষি মারে।

​প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য: ঘটনাটি যখন ঘটে, তখন সেখানে বিদ্যালয়ের আরও তিনজন শিক্ষক এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সবার সামনে এমন আকস্মিক ও বর্বরোচিত হামলায় সেখানে এক থমথমে ও ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

​নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী শিক্ষিকা:

​স্কুলের ভেতরেই একজন ছাত্রের হাতে এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে চরম লাঞ্ছনার শিকার হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ওই শিক্ষিকা। একই সাথে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কিত হয়ে তিনি আর এই বিদ্যালয়ে না ফেরার তথা স্কুল ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

​এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকা এবং সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা দ্রুত দোষী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ঘাটাইলে প্রকাশ্যেই শিক্ষিকাকে চড়-ঘুষি, আতঙ্কে বিদ্যালয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত!

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত ‘ডাঃ শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে’ এক নারী শিক্ষিকাকে প্রকাশ্যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত কিশোর অত্র বিদ্যালয়েরই নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী, যে একই স্কুলের দপ্তরির ছেলে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বিদ্যালয় ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

​ঘটনার বিবরণ:

​বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ক্লাস চলাকালীন সময়ে কোনো একটি বিষয় নিয়ে অত্র বিদ্যালয়ের ওই নারী শিক্ষিকার সাথে দপ্তরির ছেলের কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বাকবিতণ্ডা রূপ নেয় সহিংসতায়। উপস্থিত সকলকে হতবাক করে দিয়ে নবম শ্রেণির ওই ছাত্র শিক্ষিকার গায়ে হাত তোলে এবং তাকে চড় ও ঘুষি মারে।

​প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য: ঘটনাটি যখন ঘটে, তখন সেখানে বিদ্যালয়ের আরও তিনজন শিক্ষক এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সবার সামনে এমন আকস্মিক ও বর্বরোচিত হামলায় সেখানে এক থমথমে ও ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

​নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী শিক্ষিকা:

​স্কুলের ভেতরেই একজন ছাত্রের হাতে এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে চরম লাঞ্ছনার শিকার হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ওই শিক্ষিকা। একই সাথে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কিত হয়ে তিনি আর এই বিদ্যালয়ে না ফেরার তথা স্কুল ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

​এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকা এবং সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা দ্রুত দোষী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন