ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘাটাইলে নেশার ও জুয়ার টাকা জোগাতে শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে আটক জামাই

ঘাটাইলে নেশার ও জুয়ার টাকা জোগাতে শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে আটক জামাই

​টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নেশা ও অনলাইন জুয়ার টাকা জোগাতে শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন এক যুবক। বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের জোড়বহ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

​আটককৃত ব্যক্তির নাম ফারুক (৩৩)। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায়। তিনি ধলাপাড়া ইউনিয়নের জোড়বহ গ্রামের মাসুম মিয়ার মেয়ের জামাই।​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফারুক বিভিন্ন নেশায় আসক্ত এবং অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত। জুয়া ও নেশার টাকা জোগাতে তিনি মরিয়া হয়ে ওঠেন। ঘটনার দিন রাত ৩টার দিকে তিনি একই গ্রামের এক প্রবাসীর বাড়িতে কৌশলে প্রবেশ করে চুরির চেষ্টা করেন। এ সময় বাড়ির লোকজনের সন্দেহ হলে তারা চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে এসে ফারুককে হাতেনাতে আটক করেন।

​স্থানীয়রা জানান, চুরির উদ্দেশ্যেই তিনি প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকেছিলেন। ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খোরশেদ আলমসহ এলাকার লোকজন বিষয়টি নিয়ে সালিশি বৈঠক করেন।​বৈঠকে ফারুক তার অপরাধ স্বীকার করলে তাকে মুচলেকা নেওয়া হয়। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে ধলাপাড়া ইউনিয়নের সীমানায় আর কখনো প্রবেশ করবেন না—এই মর্মে কঠোর প্রতিজ্ঞা করিয়ে তাকে স্থানীয়দের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।​এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, নেশা ও অনলাইন জুয়ার করাল গ্রাস যুবসমাজকে অপরাধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

ঘাটাইলে নেশার ও জুয়ার টাকা জোগাতে শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে আটক জামাই

আপডেট সময় : ১০:৪২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

​টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নেশা ও অনলাইন জুয়ার টাকা জোগাতে শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন এক যুবক। বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের জোড়বহ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

​আটককৃত ব্যক্তির নাম ফারুক (৩৩)। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায়। তিনি ধলাপাড়া ইউনিয়নের জোড়বহ গ্রামের মাসুম মিয়ার মেয়ের জামাই।​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফারুক বিভিন্ন নেশায় আসক্ত এবং অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত। জুয়া ও নেশার টাকা জোগাতে তিনি মরিয়া হয়ে ওঠেন। ঘটনার দিন রাত ৩টার দিকে তিনি একই গ্রামের এক প্রবাসীর বাড়িতে কৌশলে প্রবেশ করে চুরির চেষ্টা করেন। এ সময় বাড়ির লোকজনের সন্দেহ হলে তারা চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে এসে ফারুককে হাতেনাতে আটক করেন।

​স্থানীয়রা জানান, চুরির উদ্দেশ্যেই তিনি প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকেছিলেন। ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খোরশেদ আলমসহ এলাকার লোকজন বিষয়টি নিয়ে সালিশি বৈঠক করেন।​বৈঠকে ফারুক তার অপরাধ স্বীকার করলে তাকে মুচলেকা নেওয়া হয়। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে ধলাপাড়া ইউনিয়নের সীমানায় আর কখনো প্রবেশ করবেন না—এই মর্মে কঠোর প্রতিজ্ঞা করিয়ে তাকে স্থানীয়দের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।​এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, নেশা ও অনলাইন জুয়ার করাল গ্রাস যুবসমাজকে অপরাধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।