শনিবার নেদারল্যান্ডসের ৫-১ গোলের দুর্দান্ত জয়ে সুইডেনকে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচে টুর্নামেন্টের ১০০তম গোলটি করেন ডাচ ফরোয়ার্ড কোডি গাকপো। আর সেই গোলের মধ্য দিয়েই মাত্র ৩৩ ম্যাচে ১০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করে বিশ্বকাপ ২০২৬।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ১০০ গোলের মাইলফলকে এত দ্রুত পৌঁছানোর ঘটনা সর্বশেষ ঘটেছিল ১৯৫৮ সালে।
এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ম্যাচপ্রতি গোলের গড় ৩.০২। এই হিসাব ধরে এগোলে ১০৪ ম্যাচের পুরো টুর্নামেন্ট শেষে গোলসংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
গোলের এই বন্যার পেছনে কয়েকটি কারণকে সামনে আনা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রিওন্ডা’। অনেক গোলরক্ষকই বলটির অস্বাভাবিক গতি ও বাঁক সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে দূরপাল্লার শট থেকেও এসেছে বেশ কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন গোল।
এ ছাড়া ৪৮ দলের সম্প্রসারিত বিশ্বকাপে নতুন ও তুলনামূলক দুর্বল দলগুলোর অংশগ্রহণও গোলসংখ্যা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।
তীব্র গরম আবহাওয়া এবং ম্যাচে বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন বিরতিও প্রভাব ফেলছে খেলায়। অনেক ম্যাচেই শেষ দিকে ক্লান্তির কারণে রক্ষণভাগে ভুল বাড়ছে, যার সুযোগ নিচ্ছেন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা। টুর্নামেন্টে হওয়া মোট গোলের প্রায় ২৯ শতাংশই এসেছে ৭৬ মিনিটের পর।
অন্যদিকে তারকা ফুটবলারদের দুর্দান্ত ফর্মও গোল উৎসবকে আরো রঙিন করে তুলেছে। লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিক, কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোল, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ধারাবাহিকতা, আর্লিং হলান্ড ও হ্যারি কেইনের গোল—সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ২০২৬ এখন আক্রমণাত্মক ফুটবলের এক মহা মঞ্চে পরিণত হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























