মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাঁড়াভাঙ্গা ডি. এইচ. ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী জনাব শামছিয়া খাতুনের বেতন-ভাতা (এমপিও) সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। একই সাথে তাঁর এমপিও কেন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
পাশাপাশি জাল সনদ দিয়ে আবেদনের বিষয়টি মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রেরণ করায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জনাব মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের বেতন-ভাতাও কেন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে না, সে বিষয়েও লিখিত জবাব তলব করা হয়েছে।
গত ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত এক পত্রে (স্মারক নং: ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০১০.২৬-২৪৬) এই নির্দেশ প্রদান করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসের এমপিও যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে দেখা যায় যে, উক্ত মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী জনাব শামছিয়া খাতুন (ইনডেক্স নং- N2104150) ১১তম গ্রেড হতে ১০ম গ্রেডে বিএড স্কেল প্রাপ্তির জন্য আবেদন করেন। কিন্তু অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত টিমের তদন্তে তাঁর দাখিলকৃত বিএড সনদটি ‘জাল’ হিসেবে প্রমাণিত হয়। এর ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কমিটি তাঁর বিএড স্কেল প্রাপ্তির আবেদনটি বাতিলের সুপারিশ করে।
এমতাবস্থায়, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২৬’-এর ১৮.১(গ) ও ১৮.১(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শামছিয়া খাতুনের বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। পত্র প্রাপ্তির আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে।
একই সাথে, জাল বিএড সনদের ভিত্তিতে তৈরি আবেদনটি মেমিস (MEMIS) সফটওয়্যারে প্রেরণ করায় উক্ত মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জনাব মোঃ আব্দুর রাজ্জাক (ইনডেক্স নং- K337975)-এর বিরুদ্ধেও কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তাঁরও বেতন-ভাতা কেন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে না সে বিষয়েও ৩ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
মোঃ মামুনুর রশীদ (জেলা প্রতিনিধি) 



















