ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুর পূবাইল খিলগাঁও গ্রামে মাদক মুক্ত, সমাজ গঠনের সমাবেশ।

গাজীপুরের পূবাইল ৪১ নং ওয়ার্ড খিলগাঁও গ্রামের, মাদক মুক্ত সমাজ গঠনের মূল চাবিকাঠি হলো পারিবারিক সচেতনতা, ধর্মীয় অনুশাসন, কঠোর আইনি প্রয়োগ এবং যুবসমাজের জন্য সুস্থ বিনোদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পর্যন্ত প্রতিটি স্তরের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই একটি মাদকমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভভ। মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে উপস্থিত ছিলেন।

সালাউদ্দিন সরকার = সহ-সভাপতি পূবাইল থানা বিএনপি।
তমিজউদ্দিন মোল্লা = সি-সহ সভাপতি ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপি।
জাহাঙ্গীর আলম = সাবেক সহ-সম্পাদক গাজীপুর মহানগর ছাএদল।
শুক্কুরআলি সরকার = পূবাইল থানা বিএনপি।
জহুরউদ্দিন সরকার = জয়েন্ট সেক্রেটারি ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপি।
হারেজ মিয়া = পূবাইল মেট্রথানা যুগ্ম আহবায়ক।
আরো উপস্থিত ছিলেন সমাজের ইমাম ও ময় মুরুব্বি গণ।

পারিবারিক সচেতনতা ও বন্ধনঃ বাবা-মাকে সন্তানের বন্ধু হতে হবে। সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মেশে সেদিকে খেয়াল রাখা এবং তাদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা।

ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাঃ ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিক মূল্যবোধ মানুষকে যেকোনো খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করে। তাই পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নৈতিক শিক্ষার প্রসার বাড়াতে হবে।

সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলাঃ যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে দূরে রাখতে পাড়া-মহল্লায় খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা এবং সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকাঃ স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন ও সেমিনার আয়োজন করা। শিক্ষক ও সহপাঠীরাও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে পারেন।

আইনের কঠোর প্রয়োগঃ মাদক চোরাচালান, উৎপাদন ও বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টিঃ বেকারত্ব অনেক সময় তরুণদের মাদকের দিকে ঠেলে দেয়। তাই যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

চিকিৎসা ও পুনর্বাসনঃ মাদকাসক্তদের অপরাধী না ভেবে তাদের রোগী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা জরুরি।

সামাজিক আন্দোলনঃ পাড়া-মহল্লায় বা ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘মাদকবিরোধী কমিটি’ গঠন করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

গাজীপুর পূবাইল খিলগাঁও গ্রামে মাদক মুক্ত, সমাজ গঠনের সমাবেশ।

আপডেট সময় : ০৭:২৪:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

গাজীপুরের পূবাইল ৪১ নং ওয়ার্ড খিলগাঁও গ্রামের, মাদক মুক্ত সমাজ গঠনের মূল চাবিকাঠি হলো পারিবারিক সচেতনতা, ধর্মীয় অনুশাসন, কঠোর আইনি প্রয়োগ এবং যুবসমাজের জন্য সুস্থ বিনোদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পর্যন্ত প্রতিটি স্তরের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই একটি মাদকমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভভ। মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে উপস্থিত ছিলেন।

সালাউদ্দিন সরকার = সহ-সভাপতি পূবাইল থানা বিএনপি।
তমিজউদ্দিন মোল্লা = সি-সহ সভাপতি ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপি।
জাহাঙ্গীর আলম = সাবেক সহ-সম্পাদক গাজীপুর মহানগর ছাএদল।
শুক্কুরআলি সরকার = পূবাইল থানা বিএনপি।
জহুরউদ্দিন সরকার = জয়েন্ট সেক্রেটারি ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপি।
হারেজ মিয়া = পূবাইল মেট্রথানা যুগ্ম আহবায়ক।
আরো উপস্থিত ছিলেন সমাজের ইমাম ও ময় মুরুব্বি গণ।

পারিবারিক সচেতনতা ও বন্ধনঃ বাবা-মাকে সন্তানের বন্ধু হতে হবে। সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মেশে সেদিকে খেয়াল রাখা এবং তাদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা।

ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাঃ ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিক মূল্যবোধ মানুষকে যেকোনো খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করে। তাই পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নৈতিক শিক্ষার প্রসার বাড়াতে হবে।

সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলাঃ যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে দূরে রাখতে পাড়া-মহল্লায় খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা এবং সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকাঃ স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন ও সেমিনার আয়োজন করা। শিক্ষক ও সহপাঠীরাও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে পারেন।

আইনের কঠোর প্রয়োগঃ মাদক চোরাচালান, উৎপাদন ও বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টিঃ বেকারত্ব অনেক সময় তরুণদের মাদকের দিকে ঠেলে দেয়। তাই যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

চিকিৎসা ও পুনর্বাসনঃ মাদকাসক্তদের অপরাধী না ভেবে তাদের রোগী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা জরুরি।

সামাজিক আন্দোলনঃ পাড়া-মহল্লায় বা ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘মাদকবিরোধী কমিটি’ গঠন করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করা।