ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা সাঘাটায় ইউপি সদস্যর সরকারি গাছ কেটে সাঁকো নির্মাণের অভিযোগ, দুই লাখ টাকার বিল নিয়ে রহস্য

 

 

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হেলেঞ্চা-টু-বাটি সড়কের পাশে থাকা সরকারি গাছ কেটে একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য একরাম হোসেনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা। তবে অভিযোগের সঙ্গে নতুন করে সামনে এসেছে আরেকটি প্রশ্ন—যদি সরকারি গাছ কেটে সরকারি প্রয়োজনে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়ে থাকে, তাহলে ওই কাজের জন্য উপজেলা পর্যায়ে প্রায় দুই লাখ টাকার বিল চাওয়া হলো কেন?

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের পাশের সরকারি চারটি গাছ কেটে জলাবদ্ধ এলাকায় কাঠের সাঁকো নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দেয়।
সচেতন মহলের মতে, সরকারি গাছ কাটতে হলে যথাযথ অনুমোদন ও নিয়ম মেনে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। তাই গাছ কাটার অনুমোদন, সাঁকো নির্মাণে কাঠের উৎস এবং দুই লাখ টাকার বিলের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আকরাম হোসেন বলেন, তাঁর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধ এলাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের চলাচলের জন্য ইউএনওর নির্দেশে কাঠের ব্রিজ তৈরি করেছেন। সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগকে তিনি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, কাজের শেষ দিকে অল্প কাঠের প্রয়োজন হওয়ায় রাস্তার পাশের একটি ছোট গাছ কেটেছেন এবং বিষয়টি ইউএনওকে জানিয়েছেন।

তবে সচেতন মহল বলছে, উদ্দেশ্য জনকল্যাণমূলক হলেও সরকারি সম্পদ ব্যবহারে নিয়ম মানা জরুরি। তাই উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে গাছ কাটার অনুমোদন এবং দুই লাখ টাকার বিলের বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

গাইবান্ধা সাঘাটায় ইউপি সদস্যর সরকারি গাছ কেটে সাঁকো নির্মাণের অভিযোগ, দুই লাখ টাকার বিল নিয়ে রহস্য

আপডেট সময় : ০২:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

 

 

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হেলেঞ্চা-টু-বাটি সড়কের পাশে থাকা সরকারি গাছ কেটে একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য একরাম হোসেনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, কেটে ফেলা গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা। তবে অভিযোগের সঙ্গে নতুন করে সামনে এসেছে আরেকটি প্রশ্ন—যদি সরকারি গাছ কেটে সরকারি প্রয়োজনে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করা হয়ে থাকে, তাহলে ওই কাজের জন্য উপজেলা পর্যায়ে প্রায় দুই লাখ টাকার বিল চাওয়া হলো কেন?

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের পাশের সরকারি চারটি গাছ কেটে জলাবদ্ধ এলাকায় কাঠের সাঁকো নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দেয়।
সচেতন মহলের মতে, সরকারি গাছ কাটতে হলে যথাযথ অনুমোদন ও নিয়ম মেনে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। তাই গাছ কাটার অনুমোদন, সাঁকো নির্মাণে কাঠের উৎস এবং দুই লাখ টাকার বিলের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আকরাম হোসেন বলেন, তাঁর ওয়ার্ডের জলাবদ্ধ এলাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের চলাচলের জন্য ইউএনওর নির্দেশে কাঠের ব্রিজ তৈরি করেছেন। সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগকে তিনি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, কাজের শেষ দিকে অল্প কাঠের প্রয়োজন হওয়ায় রাস্তার পাশের একটি ছোট গাছ কেটেছেন এবং বিষয়টি ইউএনওকে জানিয়েছেন।

তবে সচেতন মহল বলছে, উদ্দেশ্য জনকল্যাণমূলক হলেও সরকারি সম্পদ ব্যবহারে নিয়ম মানা জরুরি। তাই উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে গাছ কাটার অনুমোদন এবং দুই লাখ টাকার বিলের বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার।