ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সভাপতি মাহফুজ রাকিব মেয়ে কেলেঙ্কারিতে কট

 

গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মাহ্ফুজ সরকার রাকিব গভীর রাতে এক তরুণীর বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েছেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৯ নং ঘোলদহ গ্রামের (সৈয়দপুর) বাসিন্দা মোঃ আঃ জলিলের বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। গভীর রাতে ওই বাড়িতে প্রবেশের পর আপত্তিকর অবস্থায় তাকে দেখে ফেলে স্থানীয় লোকজন। বিষয়টি বুঝতে পেরে এলাকার মানুষ জড়ো হয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অবশেষে শুক্রবার স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় আঃ জলিলের মেয়ে জুই আক্তারের সাথে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন নেতা মাহফুজ রাকিবের বিয়ে পড়ানো হয়।

এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। মাহ্ফুজ সরকার রাকিব ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি। তিনি দাওরায়ে হাদিস, বিএসসি (অনার্স) এবং ফাজিল সম্পন্ন করা একজন নেতা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা সভাপতি হিসেবে তিনি সংগঠনের কর্মীদের জন্য যে ‘দৈনন্দিন কর্মসূচি’ ও আদর্শিক নির্দেশিকা প্রচার করতেন, তার নিজ জীবনেই এর চরম স্খলন ঘটেছে। প্রচারিত ওই নির্দেশিকায় কর্মীদের প্রতিদিন জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়, তাহাজ্জুদের অভ্যাস গড়া, দৈনন্দিন লেনদেনে স্বচ্ছতা ও মার্জিত আচার-আচরণ বজায় রাখা এবং নিদ্রার পূর্বে আত্মপর্যালোচনা বা ‘মুহাসাবায়ে নফ্স’ করার কঠোর তাগিদ দেওয়া হতো। অথচ যিনি কর্মীদের নৈতিকতার এমন উঁচু মাপকাঠিতে চলার সবক দিতেন, তিনি নিজেই গভীর রাতে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন।

নেতৃত্বস্থানীয় একজন ছাত্রনেতার এমন নৈতিক পদস্খলনে ক্ষুব্ধ স্থানীয় সচেতন মহল। সাধারণ মানুষের মাঝে এখন একটাই আলোচনা— “যিনি এতদিন নীতি-আদর্শের বুলি আওড়েছেন, তিনি নিজেই তা ধারণ করতে নিদারুণভাবে ব্যর্থ হয়েছেন!

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

গাইবান্ধার ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সভাপতি মাহফুজ রাকিব মেয়ে কেলেঙ্কারিতে কট

আপডেট সময় : ০৬:০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

 

গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মাহ্ফুজ সরকার রাকিব গভীর রাতে এক তরুণীর বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েছেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৯ নং ঘোলদহ গ্রামের (সৈয়দপুর) বাসিন্দা মোঃ আঃ জলিলের বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। গভীর রাতে ওই বাড়িতে প্রবেশের পর আপত্তিকর অবস্থায় তাকে দেখে ফেলে স্থানীয় লোকজন। বিষয়টি বুঝতে পেরে এলাকার মানুষ জড়ো হয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অবশেষে শুক্রবার স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় আঃ জলিলের মেয়ে জুই আক্তারের সাথে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন নেতা মাহফুজ রাকিবের বিয়ে পড়ানো হয়।

এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। মাহ্ফুজ সরকার রাকিব ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি। তিনি দাওরায়ে হাদিস, বিএসসি (অনার্স) এবং ফাজিল সম্পন্ন করা একজন নেতা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা সভাপতি হিসেবে তিনি সংগঠনের কর্মীদের জন্য যে ‘দৈনন্দিন কর্মসূচি’ ও আদর্শিক নির্দেশিকা প্রচার করতেন, তার নিজ জীবনেই এর চরম স্খলন ঘটেছে। প্রচারিত ওই নির্দেশিকায় কর্মীদের প্রতিদিন জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়, তাহাজ্জুদের অভ্যাস গড়া, দৈনন্দিন লেনদেনে স্বচ্ছতা ও মার্জিত আচার-আচরণ বজায় রাখা এবং নিদ্রার পূর্বে আত্মপর্যালোচনা বা ‘মুহাসাবায়ে নফ্স’ করার কঠোর তাগিদ দেওয়া হতো। অথচ যিনি কর্মীদের নৈতিকতার এমন উঁচু মাপকাঠিতে চলার সবক দিতেন, তিনি নিজেই গভীর রাতে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন।

নেতৃত্বস্থানীয় একজন ছাত্রনেতার এমন নৈতিক পদস্খলনে ক্ষুব্ধ স্থানীয় সচেতন মহল। সাধারণ মানুষের মাঝে এখন একটাই আলোচনা— “যিনি এতদিন নীতি-আদর্শের বুলি আওড়েছেন, তিনি নিজেই তা ধারণ করতে নিদারুণভাবে ব্যর্থ হয়েছেন!