ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণভোটের বিরুদ্ধে গিয়ে বিএনপি শেখ হাসিনার সংবিধান বাস্তবায়নে কাজ করছে কুড়িগ্রামে এনসিপির নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

 

রাজনৈতিক সংস্কার, গণভোট, বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। তিনি অভিযোগ করেন, গণ-আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে গিয়ে বিএনপি শেখ হাসিনার সংবিধান বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে। একই সঙ্গে তিনি দলটির বিরুদ্ধে খুনিদের রক্ষা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখল এবং সংস্কারবিরোধী অবস্থান নেওয়ার অভিযোগও করেন।
শনিবার বিকেলে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণের পদযাত্রা’ শেষে কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা এনসিপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “২৪-এর আন্দোলনে জীবন দিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর খুনিদের টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিচ্ছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। খুনিদের রক্ষার জন্য তারা ট্রাইব্যুনালে নিজেদের পছন্দের লোক বসিয়েছে। তারা ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি মসজিদ কমিটিও দখলে নিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা বলেছিলাম আবু সাঈদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলবে না। কিন্তু তারা আমাদের এবং আবু সাঈদের স্বপ্ন ভঙ্গ করেছে।”
বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, “দেশের ৭০ ভাগ মানুষের গণভোটের বিরুদ্ধে গিয়ে তারা শেখ হাসিনার সংবিধান, মুজিবীয় সংবিধান ও ভারতীয় বাস্তবায়নে কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “২০০ আসন পেয়ে বিএনপির পাখির মতো পাখনা গজিয়েছে। আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশে সংস্কার যদি না হয়, তাহলে আকাশে ওড়ার সেই পাখনা ভেঙে পড়বে।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক সারজিস আলম, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এর আগে কুড়িগ্রাম জেলা শহরের কলেজমোড়স্থ স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভ চত্বর থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণের পদযাত্রা’ শুরু হয়। পদযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

গণভোটের বিরুদ্ধে গিয়ে বিএনপি শেখ হাসিনার সংবিধান বাস্তবায়নে কাজ করছে কুড়িগ্রামে এনসিপির নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

আপডেট সময় : ০১:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

 

রাজনৈতিক সংস্কার, গণভোট, বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। তিনি অভিযোগ করেন, গণ-আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে গিয়ে বিএনপি শেখ হাসিনার সংবিধান বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে। একই সঙ্গে তিনি দলটির বিরুদ্ধে খুনিদের রক্ষা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখল এবং সংস্কারবিরোধী অবস্থান নেওয়ার অভিযোগও করেন।
শনিবার বিকেলে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণের পদযাত্রা’ শেষে কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা এনসিপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “২৪-এর আন্দোলনে জীবন দিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর খুনিদের টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিচ্ছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। খুনিদের রক্ষার জন্য তারা ট্রাইব্যুনালে নিজেদের পছন্দের লোক বসিয়েছে। তারা ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি মসজিদ কমিটিও দখলে নিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা বলেছিলাম আবু সাঈদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলবে না। কিন্তু তারা আমাদের এবং আবু সাঈদের স্বপ্ন ভঙ্গ করেছে।”
বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, “দেশের ৭০ ভাগ মানুষের গণভোটের বিরুদ্ধে গিয়ে তারা শেখ হাসিনার সংবিধান, মুজিবীয় সংবিধান ও ভারতীয় বাস্তবায়নে কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, “২০০ আসন পেয়ে বিএনপির পাখির মতো পাখনা গজিয়েছে। আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশে সংস্কার যদি না হয়, তাহলে আকাশে ওড়ার সেই পাখনা ভেঙে পড়বে।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক সারজিস আলম, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এর আগে কুড়িগ্রাম জেলা শহরের কলেজমোড়স্থ স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভ চত্বর থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণের পদযাত্রা’ শুরু হয়। পদযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।