ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনা জেলার রূপসা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মূলহোতা রফিকুল ইসলাম হৃদয় ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে র‍্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার

 

 

র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
তারই ধারাবাহিকতায়, র‍্যাব-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল এবং র‍্যাব-১, সদর কোম্পানী, উত্তরা, ঢাকা এর চৌকস আভিযানিক দল ২২ আগষ্ট ২০২৬ তারিখ বিকেলে খুলনা জেলার রূপসা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মূলহোতা রফিকুল ইসলাম হৃদয় @ রাকিবুল ইসলাম (৩০) পিতা-এনতাজ আলী, সাং-দূর্জনীমহল,থানা- রপসা, জেলা-খুলনা’কে ঢাকা মহানগরীর খিলক্ষেত থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম হৃদয় @ রাকিবুল ইসলাম সহ অন্যান্য অভিযুক্তরা পরস্পর যোগশাজোসে প্রেম ঘটিত বিবাহের জেরধরে পূর্বকল্পিতভাবে ভিকটিম মোঃ জয়নুল ঢালী ওরফে জয় ঢালী (২৫)’ কে হত্যা করে। ভিকটিম প্রেম করে বিবাহ করায় তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজনের সাথে সম্পর্ক খারাপ ছিল। ভিকটিমকে তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন বিভিন্ন সময় হুমকি প্রদান করতো। ভিকটিম ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ তাদের বাড়ী হতে কাজে বের হলে রাত্র অনুমান ২০:১৫ ঘটিকার সময় রূপসা থানাধীন ১নং আইচগাতী ইউনিয়নের দুর্জনীমহল গ্রামস্থ শহিদের মোড় পৌঁছালে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তসহ অজ্ঞাতনামা অন্যান্য অভিযুক্তরা মিলে ধারালো চাপাতি নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকমটিম’ কে এলোপাতাড়িভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। অতঃপর, ভিকটিমের মা ১৬ আগষ্ট ২০২৬ তারিখ খুলনা জেলার রূপসা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য অধিনায়ক, র‍্যাব-৮, বরিশাল বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। অপরাধী অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য খুলনা জেলার রূপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

খুলনা জেলার রূপসা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মূলহোতা রফিকুল ইসলাম হৃদয় ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে র‍্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

 

 

র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
তারই ধারাবাহিকতায়, র‍্যাব-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল এবং র‍্যাব-১, সদর কোম্পানী, উত্তরা, ঢাকা এর চৌকস আভিযানিক দল ২২ আগষ্ট ২০২৬ তারিখ বিকেলে খুলনা জেলার রূপসা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মূলহোতা রফিকুল ইসলাম হৃদয় @ রাকিবুল ইসলাম (৩০) পিতা-এনতাজ আলী, সাং-দূর্জনীমহল,থানা- রপসা, জেলা-খুলনা’কে ঢাকা মহানগরীর খিলক্ষেত থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম হৃদয় @ রাকিবুল ইসলাম সহ অন্যান্য অভিযুক্তরা পরস্পর যোগশাজোসে প্রেম ঘটিত বিবাহের জেরধরে পূর্বকল্পিতভাবে ভিকটিম মোঃ জয়নুল ঢালী ওরফে জয় ঢালী (২৫)’ কে হত্যা করে। ভিকটিম প্রেম করে বিবাহ করায় তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজনের সাথে সম্পর্ক খারাপ ছিল। ভিকটিমকে তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন বিভিন্ন সময় হুমকি প্রদান করতো। ভিকটিম ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখ তাদের বাড়ী হতে কাজে বের হলে রাত্র অনুমান ২০:১৫ ঘটিকার সময় রূপসা থানাধীন ১নং আইচগাতী ইউনিয়নের দুর্জনীমহল গ্রামস্থ শহিদের মোড় পৌঁছালে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তসহ অজ্ঞাতনামা অন্যান্য অভিযুক্তরা মিলে ধারালো চাপাতি নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকমটিম’ কে এলোপাতাড়িভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। অতঃপর, ভিকটিমের মা ১৬ আগষ্ট ২০২৬ তারিখ খুলনা জেলার রূপসা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য অধিনায়ক, র‍্যাব-৮, বরিশাল বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। অপরাধী অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য খুলনা জেলার রূপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়।