ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুব ধারার চেয়ারম্যান জুলহাস গ্রেপ্তার

 

অসহায় ও দরিদ্র মানুষের প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা যুব ধারার চেয়ারম্যান জুলহাস মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে হাজিগঞ্জ থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিভিন্নভাবে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হলেও দীর্ঘদিন ধরে সেই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। ভুক্তভোগীদের দাবি, তাদের পাওনা অর্থের মোট পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।
অর্থ ফেরতের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীরা উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন। এরই মধ্যে আজ হাজিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে জুলহাস মিয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, “আমরা আমাদের কষ্টার্জিত টাকা ফেরত চাই। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আমাদের পাওনা অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা করা হোক।”
এদিকে, গ্রেপ্তারের পর ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ভুক্তভোগীদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন; আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত জুলহাস মিয়াকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যাবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যুব ধারার চেয়ারম্যান জুলহাস গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

অসহায় ও দরিদ্র মানুষের প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা যুব ধারার চেয়ারম্যান জুলহাস মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে হাজিগঞ্জ থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিভিন্নভাবে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হলেও দীর্ঘদিন ধরে সেই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। ভুক্তভোগীদের দাবি, তাদের পাওনা অর্থের মোট পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।
অর্থ ফেরতের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীরা উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন। এরই মধ্যে আজ হাজিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে জুলহাস মিয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, “আমরা আমাদের কষ্টার্জিত টাকা ফেরত চাই। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আমাদের পাওনা অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা করা হোক।”
এদিকে, গ্রেপ্তারের পর ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ভুক্তভোগীদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন; আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত জুলহাস মিয়াকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যাবে না।