ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কে কে যাবেন আমার সাথে চলো যাই, যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে

 

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উত্তর রাঙ্গুনিয়া ধামাইর হাট, ৫ নং পারুয়া। রাজাভুবন এলাকা। মোগলের হাট এলাকা, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা এলাকা এবং চন্দ্রঘোনা ব্রিকফিল্ড এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
অভিযোগ রয়েছে কয়েকজন নামধারী সাংবাদিক তাদের কাছ থেকে মাসওয়ারা নেওয়া হয় অভিযোগ রয়েছে।

মাদক সেবনের কারণে অনেক যুবক পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। বাবা-মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে অশান্তি ও পারিবারিক সম্পর্কের অবনতি—এসবের পেছনেও মাদকের ভয়াবহ প্রভাব রয়েছে। একটি সুন্দর পরিবারকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে আমাদের এখনই সচেতন ও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

তাই আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশাসনের প্রতি বিশেষ অনুরোধ—যেসব এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে, সেখানে দ্রুত তদন্ত করে নিয়মিত ও কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা হোক। একই সঙ্গে মাদক নির্মূলে সাধারণ জনগণকে পুলিশের পাশাপাশি প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্যও অনুরোধ জানাচ্ছি।

দুঃখজনক হলেও সত্য, এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী নিয়মিত ও কার্যকর অভিযান তেমন চোখে পড়ছে না। মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালিত হলেও, অভিযান শেষ হওয়ার পর পুনরায় মাদক বিক্রির অভিযোগ ওঠে।

প্রশ্ন হলো—প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে মাদকের এমন বিস্তার ঘটছে? বিষয়টি আমাদের সবাইকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে।

মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না; ধীরে ধীরে একটি পরিবার, সমাজ এবং পুরো একটি প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। আমাদের যুবসমাজকে এই সর্বনাশা মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এখনই কার্যকর, দৃশ্যমান ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

মাননীয় এমপি, প্রিয় হুমাম কাদের চৌধুরী ভাইজান, রাঙ্গুনিয়ার বর্তমান অভিভাবক হিসেবে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আপনার কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আপনি যেভাবে অবৈধ বালির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের কথা বলেছেন, ঠিক একইভাবে রাঙ্গুনিয়ায় মাদকের বিরুদ্ধেও কঠোর ও কার্যকর অবস্থান গ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

রাঙ্গুনিয়ার যেসব এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে, সেসব স্থানে দ্রুত তদন্ত ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক।

এক দিনের অভিযান নয়—প্রয়োজন ধারাবাহিক নজরদারি, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রতিরোধ।

মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা প্রয়োজন।

আমি একা নই—আপনিও কি আমার সঙ্গে আছেন?

কে কে যাবেন আমার সাথে?

চলো, সবাই মিলে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি। ✊🚫

রাঙ্গুনিয়ার যুবসমাজকে বাঁচাতে এখনই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স চাই।

রাঙ্গুনিয়ার মাটি মাদকমুক্ত হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কে কে যাবেন আমার সাথে চলো যাই, যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৭:১৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

 

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উত্তর রাঙ্গুনিয়া ধামাইর হাট, ৫ নং পারুয়া। রাজাভুবন এলাকা। মোগলের হাট এলাকা, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা এলাকা এবং চন্দ্রঘোনা ব্রিকফিল্ড এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
অভিযোগ রয়েছে কয়েকজন নামধারী সাংবাদিক তাদের কাছ থেকে মাসওয়ারা নেওয়া হয় অভিযোগ রয়েছে।

মাদক সেবনের কারণে অনেক যুবক পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। বাবা-মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে অশান্তি ও পারিবারিক সম্পর্কের অবনতি—এসবের পেছনেও মাদকের ভয়াবহ প্রভাব রয়েছে। একটি সুন্দর পরিবারকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে আমাদের এখনই সচেতন ও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

তাই আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশাসনের প্রতি বিশেষ অনুরোধ—যেসব এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে, সেখানে দ্রুত তদন্ত করে নিয়মিত ও কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা হোক। একই সঙ্গে মাদক নির্মূলে সাধারণ জনগণকে পুলিশের পাশাপাশি প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্যও অনুরোধ জানাচ্ছি।

দুঃখজনক হলেও সত্য, এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী নিয়মিত ও কার্যকর অভিযান তেমন চোখে পড়ছে না। মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালিত হলেও, অভিযান শেষ হওয়ার পর পুনরায় মাদক বিক্রির অভিযোগ ওঠে।

প্রশ্ন হলো—প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে মাদকের এমন বিস্তার ঘটছে? বিষয়টি আমাদের সবাইকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে।

মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না; ধীরে ধীরে একটি পরিবার, সমাজ এবং পুরো একটি প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। আমাদের যুবসমাজকে এই সর্বনাশা মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে এখনই কার্যকর, দৃশ্যমান ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

মাননীয় এমপি, প্রিয় হুমাম কাদের চৌধুরী ভাইজান, রাঙ্গুনিয়ার বর্তমান অভিভাবক হিসেবে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আপনার কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আপনি যেভাবে অবৈধ বালির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের কথা বলেছেন, ঠিক একইভাবে রাঙ্গুনিয়ায় মাদকের বিরুদ্ধেও কঠোর ও কার্যকর অবস্থান গ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

রাঙ্গুনিয়ার যেসব এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে, সেসব স্থানে দ্রুত তদন্ত ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক।

এক দিনের অভিযান নয়—প্রয়োজন ধারাবাহিক নজরদারি, কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রতিরোধ।

মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক, সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা প্রয়োজন।

আমি একা নই—আপনিও কি আমার সঙ্গে আছেন?

কে কে যাবেন আমার সাথে?

চলো, সবাই মিলে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি। ✊🚫

রাঙ্গুনিয়ার যুবসমাজকে বাঁচাতে এখনই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স চাই।

রাঙ্গুনিয়ার মাটি মাদকমুক্ত হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।