ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ার শরীফপুরে মাদক মামলায় এক আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার একটি মা’দ’ক মামলায় হেলাল আহম্মদ নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মৌলভীবাজারের বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। (দায়রা মামলা নং-৫৫/২০১৪ এবং জি.আর. মামলা নং-২৮৩/২০১৩)।

সাজাপ্রাপ্ত হেলাল আহম্মদ কুলাউড়া থানার সঞ্জরপুর গ্রামের মো. কবির মিয়ার ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ (সংশোধিত ২০০৪) এর ১৯(১) ধারার সংশ্লিষ্ট ধারায় আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ মা’দ’ক (ফে’ন’সি’ডি’ল) রাখার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক এই কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক রায় প্রদান করেন।

রায় ঘোষণার সময় রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. আব্দুল ওয়াহিদ। আদালতের এই যুগান্তকারী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন— “মা’দ’কের মরণকামড় থেকে সমাজ ও যুবসমাজকে রক্ষা করতে এই ধরনের কঠোর শাস্তির কোনো বিকল্প নেই। মৌলভীবাজার জেলা তথা দেশব্যাপী মা’দ’ক’বিরোধী অভিযানে বিজ্ঞ আদালতের এই রায় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং অপরাধীদের জন্য একটি শক্ত বার্তা দেবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কুলাউড়ার শরীফপুরে মাদক মামলায় এক আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান

আপডেট সময় : ১১:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার একটি মা’দ’ক মামলায় হেলাল আহম্মদ নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মৌলভীবাজারের বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। (দায়রা মামলা নং-৫৫/২০১৪ এবং জি.আর. মামলা নং-২৮৩/২০১৩)।

সাজাপ্রাপ্ত হেলাল আহম্মদ কুলাউড়া থানার সঞ্জরপুর গ্রামের মো. কবির মিয়ার ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ (সংশোধিত ২০০৪) এর ১৯(১) ধারার সংশ্লিষ্ট ধারায় আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ মা’দ’ক (ফে’ন’সি’ডি’ল) রাখার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক এই কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক রায় প্রদান করেন।

রায় ঘোষণার সময় রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. আব্দুল ওয়াহিদ। আদালতের এই যুগান্তকারী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন— “মা’দ’কের মরণকামড় থেকে সমাজ ও যুবসমাজকে রক্ষা করতে এই ধরনের কঠোর শাস্তির কোনো বিকল্প নেই। মৌলভীবাজার জেলা তথা দেশব্যাপী মা’দ’ক’বিরোধী অভিযানে বিজ্ঞ আদালতের এই রায় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং অপরাধীদের জন্য একটি শক্ত বার্তা দেবে।”