ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“কুলাউড়ায় হত্যা মামলার বাদিকে অবরুদ্ধ করে আসামিপক্ষের লোকজন ৪ ঘন্টা পর অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করল পুলিশ “

:কুলাউড়ার টিলাগাও এ আপন পিতা হত্যা মামলার বাদিকে ৪ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে আসামিপক্ষের লোকজন। পরে পুলিশ গিয়ে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে হত্যা মামলার বাদি মুজিবুর রহমানকে। এ ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় সাধারন ডায়েরি করা হয়েছে। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার টিলাগাও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের কৃষক মখছদ মিয়াকে দিনেদুপুরে হত্যা করা হয় ২০০৪ সালে। এ ঘটনায় নিহত মখছদ মিয়ার পুত্র মো মুজিবুর রহমান বাদি হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ২২ বছর পর মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রাজজ ৪ আসামী যথাক্রমে আব্দুল লতিফ, আব্দুল মুতালিব,আব্দুল মনাফ ও জমির আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। ৫ জনকে খালাস দেন আদালত। কিন্তু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের স্ত্রী সন্তানরা রায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বাদিকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করতে থাকে।গত বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে হত্যা মামলার বাদি মুজিবুর রহমান তার জায়গা জমি দেখতে গেলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের স্ত্রী সন্তানরা তাকে দা কুড়াল দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় দৌড়ে একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে সন্ত্রাসীরা তাকে ৪ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশকে খবর দিলে বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে মুজিবুরকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুজিবুর রহমান কুলাউড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান।তবে এর আগে গত ২ জুলাই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের স্ত্রী সন্তান যথাক্রমে শিপন মিয়া,জেসমিন বেগম,আতিয়া বেগম ও জিফুল বেগমের বিরুদ্ধে একটি জিডি এন্ট্রি ( ৮২) দায়ের করেন মুজিবুর রহমান। এব্যাপারে কুলাউড়া থানার সাব ইন্সপেক্টর আখতারুজ্জামান জানান,হত্যা মামলার বাদি থানায় কিছুদিন আগে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে শিপন মিয়া,জেসমিন বেগম,আতিয়া বেগম ও জিফুল বেগমের বিরুদ্ধে একটি জিডি করেছেন। তিনি তদন্ত করেছেন এবং আদালতে রিপোর্ট প্রেরন করেন। তবে মুজিবুর বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিপক্ষের সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন এবং পুলিশ খবর পেয়ে মুজিবকে ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় মুজিবুর লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে করা হবে বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান। এ বিষয়ে কুলাউড়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করতে কাউকে দেওয়া হবে না। আমরা যথাসময়ে আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছি.

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

“কুলাউড়ায় হত্যা মামলার বাদিকে অবরুদ্ধ করে আসামিপক্ষের লোকজন ৪ ঘন্টা পর অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করল পুলিশ “

আপডেট সময় : ০৮:১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

:কুলাউড়ার টিলাগাও এ আপন পিতা হত্যা মামলার বাদিকে ৪ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে আসামিপক্ষের লোকজন। পরে পুলিশ গিয়ে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে হত্যা মামলার বাদি মুজিবুর রহমানকে। এ ঘটনায় ৪ জনের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় সাধারন ডায়েরি করা হয়েছে। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার টিলাগাও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের কৃষক মখছদ মিয়াকে দিনেদুপুরে হত্যা করা হয় ২০০৪ সালে। এ ঘটনায় নিহত মখছদ মিয়ার পুত্র মো মুজিবুর রহমান বাদি হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ২২ বছর পর মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রাজজ ৪ আসামী যথাক্রমে আব্দুল লতিফ, আব্দুল মুতালিব,আব্দুল মনাফ ও জমির আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। ৫ জনকে খালাস দেন আদালত। কিন্তু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের স্ত্রী সন্তানরা রায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বাদিকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করতে থাকে।গত বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে হত্যা মামলার বাদি মুজিবুর রহমান তার জায়গা জমি দেখতে গেলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের স্ত্রী সন্তানরা তাকে দা কুড়াল দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় দৌড়ে একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে সন্ত্রাসীরা তাকে ৪ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশকে খবর দিলে বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে মুজিবুরকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুজিবুর রহমান কুলাউড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান।তবে এর আগে গত ২ জুলাই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের স্ত্রী সন্তান যথাক্রমে শিপন মিয়া,জেসমিন বেগম,আতিয়া বেগম ও জিফুল বেগমের বিরুদ্ধে একটি জিডি এন্ট্রি ( ৮২) দায়ের করেন মুজিবুর রহমান। এব্যাপারে কুলাউড়া থানার সাব ইন্সপেক্টর আখতারুজ্জামান জানান,হত্যা মামলার বাদি থানায় কিছুদিন আগে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে শিপন মিয়া,জেসমিন বেগম,আতিয়া বেগম ও জিফুল বেগমের বিরুদ্ধে একটি জিডি করেছেন। তিনি তদন্ত করেছেন এবং আদালতে রিপোর্ট প্রেরন করেন। তবে মুজিবুর বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিপক্ষের সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন এবং পুলিশ খবর পেয়ে মুজিবকে ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় মুজিবুর লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে করা হবে বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান। এ বিষয়ে কুলাউড়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করতে কাউকে দেওয়া হবে না। আমরা যথাসময়ে আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছি.