ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ায় আলোচিত মখছদ হত্যা মামলার ২৩ বছর পর রায়ে ৪ আসামীর মৃতুদন্ড: ৪ জন বেকসুর খালাস

কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের কৃষক মখছদ মিয়া হত্যাকান্ডের ২৩ বছর পর ৪ আসামীর মৃতুদন্ড দিয়েছেন আদালত।মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক বেগম শামসাদ বেগম মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় এ রায় ঘোষনা করেন। রায়ে হত্যা মামলার আসামী আং লতিফ, আব্দুল মোতা়লেব,আব্দুল মনাফ ও জমির আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়াও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। ৪ আসামীর মধ্যে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী আব্দুল মোতালেব বাহরাইন রাষ্ট্রে পলাতক আছেন। বাকি ৩ জনকে রায়ের পরে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়। মামলার অন্য ৪ জন আসামী আতিক,হাসিব,আকলু ও সুন্দরী বেগমকে বেখসুর খালাস দেওয়া হয়। এর মধে একজন আসামী তাহির মিয়া মারা যাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। রায়ের বিষয়ে মখছদ হত্যা মামলার আইনজীবী শেখ হাবিবুর রহমান জানান, দীর্ঘ ২৩ বছর পর মামলায় আসামীদের শাস্তি হওয়ায় আমরা আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট। তবে মামলার বাদী নিহত মখছদ মিয়ার পুত্র মো মুজিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আমার পিতা এলাকার সমাজসেবক ও বিএনপির নিবেদিত কর্মী ছি়লেন। কিন্তু সন্ত্রাসীরা আমার পিতাকে হত্যা করে ২০/২১ টি বছর দলীয় পেশি শক্তির প্রভাব খাটিয়ে মামলার কার্ক্রমকে বিলম্বিত করেছে। ২৩ বছরে আমার পিতার ২ একর জায়গা খুনিরা জবর দখল করেছে। আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। আমি আমাদের জায়গা ফেরৎ চাই এবং আমি আমার বাড়িতে যেতে সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাই। রায়ে তিনি আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ১২ নভেম্বর টিলাগাও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে সন্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মখছদ মিয়া(৫৫)কে দিন দুপুরে হত্যা করে। পরে নিহতের বড় ছেলে মুজিবুর রহমান বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে কুলাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করেন। ছবি ক্যাপশনঃ ২৩ বছর আগে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত মখছদ উল্লাহ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কুলাউড়ায় আলোচিত মখছদ হত্যা মামলার ২৩ বছর পর রায়ে ৪ আসামীর মৃতুদন্ড: ৪ জন বেকসুর খালাস

আপডেট সময় : ১০:১৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের কৃষক মখছদ মিয়া হত্যাকান্ডের ২৩ বছর পর ৪ আসামীর মৃতুদন্ড দিয়েছেন আদালত।মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক বেগম শামসাদ বেগম মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় এ রায় ঘোষনা করেন। রায়ে হত্যা মামলার আসামী আং লতিফ, আব্দুল মোতা়লেব,আব্দুল মনাফ ও জমির আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়াও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। ৪ আসামীর মধ্যে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী আব্দুল মোতালেব বাহরাইন রাষ্ট্রে পলাতক আছেন। বাকি ৩ জনকে রায়ের পরে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়। মামলার অন্য ৪ জন আসামী আতিক,হাসিব,আকলু ও সুন্দরী বেগমকে বেখসুর খালাস দেওয়া হয়। এর মধে একজন আসামী তাহির মিয়া মারা যাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। রায়ের বিষয়ে মখছদ হত্যা মামলার আইনজীবী শেখ হাবিবুর রহমান জানান, দীর্ঘ ২৩ বছর পর মামলায় আসামীদের শাস্তি হওয়ায় আমরা আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট। তবে মামলার বাদী নিহত মখছদ মিয়ার পুত্র মো মুজিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আমার পিতা এলাকার সমাজসেবক ও বিএনপির নিবেদিত কর্মী ছি়লেন। কিন্তু সন্ত্রাসীরা আমার পিতাকে হত্যা করে ২০/২১ টি বছর দলীয় পেশি শক্তির প্রভাব খাটিয়ে মামলার কার্ক্রমকে বিলম্বিত করেছে। ২৩ বছরে আমার পিতার ২ একর জায়গা খুনিরা জবর দখল করেছে। আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। আমি আমাদের জায়গা ফেরৎ চাই এবং আমি আমার বাড়িতে যেতে সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাই। রায়ে তিনি আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ১২ নভেম্বর টিলাগাও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে সন্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মখছদ মিয়া(৫৫)কে দিন দুপুরে হত্যা করে। পরে নিহতের বড় ছেলে মুজিবুর রহমান বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে কুলাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করেন। ছবি ক্যাপশনঃ ২৩ বছর আগে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত মখছদ উল্লাহ।