ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিরের আক্রমণে প্রান গেল মালয়েশিয়া প্রবাসীর। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মালয়েশিয়ায় ঈদুল আজহার ছুটিতে আনন্দ করতে যেয়ে মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাঝে। বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে কুমিরের ভয়াবহ হামলার শিকার হয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন প্রবাসী জহিরুল ইসলাম।

জানা যায়, যহুরবরুর কতাতিঙ্গীতে ঈদের দিন কোম্পানির ছুটি থাকায় কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে নিয়ে নদীর পাড়ে ছিপ দিয়ে মাছ ধরতে যায় জহিরুল ইসলাম। হাসি-আড্ডা আর আনন্দের মধ্যেই হঠাৎ নদীর পানির ভেতর থেকে একটি বিশাল কুমির তার ওপর হামলা চালায়। মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। বন্ধুরা প্রাণপণ চেষ্টা করে তাকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।
দ্রুত তাকে জহুরবারুর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত জহিরুল ইসলামের বাড়ি বাংলাদেশের মাগুরা জেলায়। পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করতে জীবিকার তাগিদে তিনি মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। ঈদের ছুটিতে আনন্দ করতে যেয়ে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূল্লীতে জমি দখলের পাঁয়তারা, ধান ও মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

কুমিরের আক্রমণে প্রান গেল মালয়েশিয়া প্রবাসীর। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপডেট সময় : ০৩:০৬:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

মালয়েশিয়ায় ঈদুল আজহার ছুটিতে আনন্দ করতে যেয়ে মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাঝে। বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে কুমিরের ভয়াবহ হামলার শিকার হয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন প্রবাসী জহিরুল ইসলাম।

জানা যায়, যহুরবরুর কতাতিঙ্গীতে ঈদের দিন কোম্পানির ছুটি থাকায় কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে নিয়ে নদীর পাড়ে ছিপ দিয়ে মাছ ধরতে যায় জহিরুল ইসলাম। হাসি-আড্ডা আর আনন্দের মধ্যেই হঠাৎ নদীর পানির ভেতর থেকে একটি বিশাল কুমির তার ওপর হামলা চালায়। মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। বন্ধুরা প্রাণপণ চেষ্টা করে তাকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।
দ্রুত তাকে জহুরবারুর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত জহিরুল ইসলামের বাড়ি বাংলাদেশের মাগুরা জেলায়। পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করতে জীবিকার তাগিদে তিনি মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। ঈদের ছুটিতে আনন্দ করতে যেয়ে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।